কিভাবে Backlinks পাওয়া যায়?

ব্যাকলিংক হলো একটি এক্সটারনাল লিংক, যা অন্য একটি ওয়েবসাইটের সাথে আপনার সাইটকে যুক্ত করে। সহজ কথায়, যখন ভিন্ন কোনো ওয়েবসাইট আপনার সাইটকে লিংক দেয়, তখন সেই লিংকটিকে ব্যাকলিংক বলা হয়।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও-এর ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। গুগলের দুইশতেরও বেশি র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর রয়েছে, যার মধ্যে ব্যাকলিংককে অন্যতম প্রধান এবং শক্তিশালী ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বিখ্যাত এসইও প্রতিষ্ঠান "Moz"-এর গবেষণায় দেখা গেছে, র‍্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করে। অতীতেও যে ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক যত বেশি ছিল, সেই সাইটটি সার্চ রেজাল্টে তত দ্রুত র‍্যাংক করত।

যারা ব্লগিংয়ে নতুন, তারা অনেকেই ব্যাকলিংক বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে পারেন না বা এর গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারেন না। অথচ অনলাইনে ব্লগিং করে সফলতা অর্জনের জন্য ব্যাকলিংক সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি।

আজকের পোস্টে ব্যাকলিংক কী, এর গুরুত্ব এবং কীভাবে কম্পিটিটরদের চেয়ে ভালো ব্যাকলিংক তৈরি করে গুগলের শীর্ষে থাকা যায়, তা জানতে পারবেন। এতে আপনার ব্লগের অর্গানিক ট্রাফিক বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

ব্যাকলিংক কি?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) এর পরিভাষায় Backlink বলতে একটি ওয়েব পেজের সাথে অন্য আরেকটি ওয়েব পেজ লিংক করানোকে বুঝায়। সেই ওয়েব পেজটি হতে পারে একটি ব্লগ/ওয়েবসাইটের মূল ডোমেইন অথবা কোন একটি পোস্টের লিংক। আপনার ব্লগের প্রতিটি Backlink কে ব্লগের এক একটি ভোট হিসেবে মনে করতে পারেন।

এই Backlink আবার দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে Internal Backlink এবং অপরটি External Backlink. যখন আপনার নিজের ওয়েব পেজের লিংক নিজের ব্লগ/ওয়েবসাইটের কোন একটি পেজ/পোস্টের সাথে লিংক হবে তখন সেটি Internal Backlink হিসেবে গণ্য হবে। অন্যদিকে যখন আপনার নিজের ওয়েব পেজের লিংক অন্য কোন ব্লগ/ওয়েবসাইটের পেজ/পোস্টের সাথে লিংক হবে তখন সেটিকে External Backlink হিসেবে গণনা করা হবে।

অধিকাংশ ব্লগে Backlink এর ডেফিনেশন এ ভাবে দিতে দেখেছি যে, আপনার নিজের ব্লগের লিংক যখন অন্য কোন ব্লগের সাথে যুক্ত হয় তখন সেটিকে Backlink বলে। এটি সম্পূর্ণ ভূল ধারনা। Backlink শুধুমাত্র অন্যের ব্লগের সাথে লিংক হয়ে গঠন করে না, নিজের ব্লগের/পেজের সাথে যুক্ত হয়েও গঠন করে।

Backlinks তৈরি: Backlink কি এবং কিভাবে Backlinks পাওয়া যায়?

ধরুন আপনার ব্লগের Url অথবা পোস্টের Url আপনার ব্লগের সাথে লিংক করলেন অথবা অন্য কোনো ব্লগের মালিক আপনার ব্লগ/পোস্টের Url তার ব্লগের সাথে লিংক করল। এ ক্ষেত্রে আপনার যে লিংকটি আপনার অথবা অন্য যে ব্লগের সাথে যুক্ত হয়েছে সেই ব্লগ হতে আপনার ব্লগ একটি Backlink পেয়েছে বলে ধরে নেয়া হবে।

মনে করুন আপনার ব্লগটির নাম “ব্লগার ট্রিকস” এবং যার ব্লগের সাথে আপনার ব্লগের লিংকটি যুক্ত হয়েছে তার ব্লগের নাম “এসইও ট্রিকস”। এ ক্ষেত্রে আপনি “এসইও ট্রিকস” নামক ব্লগটি হতে আপনার ব্লগের একটি Backlink পেয়েছেন বলে গন্য হবে।

এ ভাবে আপনি যতটি ব্লগের সাথে নিজের ব্লগের Url যুক্ত করবেন আপনার ব্লগের Backlink তত বাড়তে থাকবে। এটি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ব্যাকলিংক হচ্ছে Off Page এসইও এর একটি কার্যকরী অংশ।

Backlink এর কয়েকটি উপাদান

Backlink এর কয়েকটি উপাদান রয়েছে যেগুলোর জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক এতটা গুরুত্ব বহন করে। নিচে পয়েন্ট আকারে আমি সেই বিষয়গুলো আপনাদের সামনে তুলো ধরব। এই বিষয়গুলো বুঝার ফলে আপনি সঠিকভাবে উপযুক্ত Link Building করতে পারবেন।

  • Link Juice: যখন আপনার ব্লগের কোন একটি পোস্ট অন্য কোন ব্লগের সাথে যুক্ত হয়ে Backlink গঠন করবে তখন আপনার পোস্টটি লিংকৃত পোস্ট হতে কিছুটা Link Juice নিয়ে আসবে। পক্ষান্তরে আপনার ব্লগ/পোস্টের সাথে যখন অন্য কোন ব্লগের লিংক যুক্ত হবে তখন ঐ ব্লগটি আপনার পোস্ট হতে Link Juice নিয়ে যাবে। এই ধরনের Link Juice পোস্টের র‌্যাংক বৃদ্ধি সহ Domain Authority বৃদ্ধি করে।
  • NoFollow Link: সার্চ ইঞ্জিন বট বা Crawler যখন একটি ব্লগ Crawl করে তখন ব্লগের কোথাও Nofollow লিংক দেখতে পেলে লিংকটিকে বেশী গুরুত্ব না করে বাইপাস করে চলে যাবে। সেই ক্ষেত্রে আপনার ব্লগে যত বেশী NoFollow Backlink তৈরি করুন না কেন সেটি সার্চ ইঞ্জিনের কাছে খুব বেশী গুরুত্ব বহন করতে পারবে না। কারণ একটি NoFollow লিংক পোস্ট হতে Link Juice বহন করতে পরে না।
  • DoFollow Link: Nofollow এর সম্পূর্ণ বিপরীত হচ্ছে DoFollow লিংক। সার্চ ইঞ্জিন বট বা Crawler যখন ব্লগ Crawl করে তখন ব্লগের কোথাও DoFollow লিংক দেখতে পেলে লিংক Throw করে ঐ লিংকের পেজটিতে চলে যায়। সেই সাথে যে পোষ্টের সাথে লিংক করা ছিল ঐ পোষ্টটি থেকে কিছু Link Juice সাথে করে নিয়ে যায়। একটি ওয়েবসাইটের র‌্যাংকিং এর ক্ষেত্রে DoFollow Backlink এর অনেক মূল্য রয়েছে।
  • Internal Links: আপনার নিজের ওয়েব পেজের লিংক নিজের ব্লগ/ওয়েবসাইটের কোন একটি পেজ/পোস্টের সাথে লিংক হলে তখন সেটি Internal Link হিসেবে গণ্য হবে। সার্চ ইঞ্জিনের কাছে Internal Backlink এর গরুত্ব খুবই কম।
  • External Links: আপনার নিজের ওয়েব পেজের লিংক অন্য কোন ব্লগ/ওয়েবসাইটের পেজ/পোস্টের সাথে লিংক হলে তখন সেটিকে External Link হিসেবে গণনা করা হয়। সার্চ ইঞ্জিনের কাছে External Backlink এর গুরুত্ব অনেক বেশী এবং ওয়েবসাইটের র‌্যাংকিং বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
  • Root Domain Links: এটি দ্বারা বুঝায় কতটি Unique ডোমেইন হতে আপনি Backlink তৈরি করছেন। ধরুন আপনি আমার ব্লগের ভিন্ন ভিন্ন ১০ টি পোস্ট হতে ১০ টি ব্যাকলিংক ক্রিয়েট করলেন। এ ক্ষেত্রে আপনার Backlink হবে ১০ টি কিন্তু Root Domain Link হবে একটি। কারন আমার মূল ডোমেইন এড্রেস হচ্ছে একটি। এ ক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন ব্লগ হতে ব্যাক লিংক তৈরি করলে Root Domain Links এর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার ব্লগের র‌্যাংকিং বাড়তে থাকবে।
  • Low Quality Link: এক সময় ছিল যখন যেন তেন ব্লগ হতে Backlink সংগ্রহ করতে পারলে র‌্যাংক করা যেত কিন্তু গুগল এর এলগরিদম আপডেট হওয়ার ফলে শুধুমাত্র Low Quality ওয়েবসাইট হতে ব্যাকলিংক ক্রিয়েট করলে কোন ফায়দা হবে না। ব্যাকলিংক নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই High Domain Authority সম্পন্ন ওয়েবসাইট হতে Backlink ক্রিয়েট করতে হবে।
  • Irrelevant Links: আপনার ব্লগ/পোস্টের বিষয়বস্তুর (Niche) সাথে মিল নেই এমন কোন ব্লগ/পোস্ট হতে Backlink ক্রিয়েট করে কোন লাভ নেই। আপনার ব্লগের বিষয় “এন্ড্রয়েড টিপস এন্ড ট্রিকস” কিন্তু লিংক করলেন “হেলথ টিপস” বিষয়ের ব্লগের সাথে। এ ধরনের Backlink এর কোন মূল্য নেই।

এসইও এর ক্ষেত্রে Backlink এর সুবিধা কি?

এক সময় ছিল যখন যে কোন ধরনের Backlink হলে একটি ব্লগের র‌্যাংক করা সম্ভব হত কিন্তু গুগল Penguin Algorithm এর নতুন নিয়ম চালু করার ফলে মানসম্পন্ন Backlink ব্যতীত গুগল সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাংক করাটা আরো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বর্তমান সময়ে Low Quality এর ব্যাকলিংক দিয়ে কোনভাবে ভালো ফলাফল আশা করা যায় না।

এখন ব্যাকলিংক ক্রিয়েট করার ক্ষেত্রে Domain Authority ও Page Authority দেখে নিতে হবে। আপনি যদি ব্যাকলিংক ক্রয় করার বিষয় ভেবে থাকেন, তাহলে ক্রয় করার পূর্বে অবশ্যই আপনার ব্যাকলিংক প্রোভাইডারদের সাথে এ বিষয়টি ক্লিয়ার করে নিবেন। তা না হলে তারা আপনাকে Low Quality এর Backlink তৈরি করে দেবে যেটি আপনার ব্লগ র‌্যাংক করার জন্য কোন উপকার হবে না।

ব্যাকলিংকের সুবিধা

  • Faster Indexing
  • Improve Organic Rank
  • Improve Page and Domain Authority
  • Referral Traffic
  • Building Relationship

১। Faster Indexing

একটি ব্লগের পোস্ট সার্চ ইঞ্জিন যত কমসয়ের মধ্যে Index করবে সার্চ ইঞ্জিনে হতে পোস্টটি তত দ্রুত ট্রাফিক জেনারেট করতে পারবে। কারণ একটি পোস্ট Index না হওয়া পর্যন্ত সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজে শো হবে না।

এ ক্ষেত্রে আপনার নতুন পোস্টগুলো ভালোমানের ব্লগের সাথে Backlink তৈরি করতে পারলে সার্চ ইঞ্জিন ক্রলার ঐ ব্লগের পোস্টে ক্রল করার মাধ্যমে আপনার পোস্টটি পেয়ে দ্রুত Index করে নিবে। নরমালি নতুন একটি পোস্ট সম্পর্কে সার্চ ইঞ্জিন ধারনা নিতে কিছুটা সময় নেয়।

তাছাড়া আপনার ব্লগটি নতুন হলে পোস্ট সম্পর্কে সার্চ ইঞ্জিনের ধারনা নিতে লম্বা সময় লাগতে পারে। নতুন পোস্ট কম সময়ের মধ্যে Index করাতে চাইলে Backlink এর গুরুত্ব অপরিসীম।

২। Improve Organic Rank

Backlinks নিঃসন্দেহে একটি ব্লগের সার্চ র‌্যাংকিং বৃদ্ধি করবে। বিশ্ব বিখ্যাত সকল এসইও কোম্পানি ও এসইও এক্সপার্টগণ সবসময় বলে থাকেন একটি ভালোমানের পোস্টে যত বেশী ব্যাকলিংক থাকবে সার্চ ইঞ্জিনে পোস্টটি তত বেশী র‌্যাংক করতে সক্ষম হবে। নিচের চিত্রে বিষয়টির সত্যতা দেখে নেওয়া যাক।

Backlinks তৈরি: Backlink কি এবং কিভাবে Backlinks পাওয়া যায়?

উপরের চিত্রটি জনপ্রিয় এসইও টুলস ahrefs থেকে নিয়েছি। চিত্রটি নেওয়ার পূর্বে আমি গুগল সার্চ ইঞ্জিনে YouTube SEO লিখে সার্চ করি। YouTube SEO লিখে সার্চ করার ফলে Backlinko.Com এর পোস্ট গুগল সার্চ রেজাল্টে ১ নম্বরে এবং Neilpatel.Com এর পোস্ট গুগল সার্চ রেজাল্টে ২ নম্বরে শো করে। তারপর প্রাপ্ত পেজ দুটির লিংক ahrefs টুলস এ রিসার্চ করে উপরের ফলাফল দেখতে পাই।

উপরের চিত্রে দেখুন YouTube SEO কীওয়ার্ডে ১ নং র‌্যাংক করা পোস্টটির Backlink ৬৭৬০ টি এবং ২ নং র‌্যাংক করা পোস্টটির ব্যাকলিংক ১০৯৯ টি। কাজেই দেখা যায় যে, যার ব্লগের পোস্টে যত বেশী ব্যাকলিংক থাকে তার ব্লগের পোস্ট সার্চ রেজাল্টে তত বেশী র‌্যাংক করে।

উল্লেখ্য যে, উপরের চিত্রটি আমি ahrefs টুলস থেকে আলাদা আলাদা ভাবে রিসার্চ করে একসাথে তৈরি করেছি। এসইও এর সবচাইতে জনপ্রিয় টুল হচ্ছে ahrefs. এটি একটি পেইড টুল। এই টুলটি একমাস ব্যবহার করার জন্য প্রায় ১০০ ডলার খরছ করতে হয়। আমি ফ্রি ভার্সন ব্যবহার করে শুধুমাত্র লিংকের মাধ্যমে Backlink যাচাই করেছি।

পেইড ভার্সন ব্যবহার করলে Keyword ব্যবহার করে ব্যাকলিংক বের করা যায়। আমার কাছে পেইড ভার্সন না থাকায় আরো বিস্তারিত দেখানো সম্ভব হয়নি। এই টুলটি ব্যবহার করে অনায়াসে যে কোন ওয়েবসাইটের এসইও করে র‌্যাংকিং বৃদ্ধি করা যায়।

৩। Improve Page and Domain Authority

এক সময় গুগল এর নিজেস্ব র‌্যাংকিং সিস্টেম ছিল (১ থেকে ১০) কিন্তু কয়েক বছর পূর্বে গুগল তাদের র‌্যাংকিং সিস্টেমের গোপনীয়তা রক্ষার্থে র‌্যাংকিং পদ্ধতি বাতীল করে দিয়েছে। সে জন্য বর্তমানে Page Authority ও Domain Authority এর মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের র‌্যাংক পরিমাপ করা হয়।

সাধারণত Page Authority ও Domain Authority ০১ থেকে ১০০ পর্যন্ত হয়ে থাকে। একটি ওয়েবসাইটের PA and DA যত বেশী থাকে সেই ওয়েবসাইটের র‌্যাংক তত ভালো হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর একটি ব্লগের PA and DA বৃদ্ধিতে Backlink গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। নিচের চিত্রে দেখুন-

Backlinks তৈরি: Backlink কি এবং কিভাবে Backlinks পাওয়া যায়?

উপরের চিত্রটি গুগল সার্চ রেজাল্ট হতে নেওয়া। YouTube SEO লিখে সার্চ করার ফলে গুগল সার্চ  রেজাল্ট পেজে যে দুটি ওয়েবসাইটের পোস্ট ১নং ও ২নং র‌্যাংক এ ছিল সেই দুটির PA and DA খুবই বেশী। সাধারণত একটি পোস্টের Backlink যত বেশী সেই পোস্টের Page Authority তত বেশী হয় এবং সেটি সার্চ রেজাল্টে শীর্ষে থেকে ট্রাফিক সংগ্রহ করে। উপরের চিত্রের ১ নং পোস্টের Page Authority-55 এবং ২নং পোস্টের Page Authority-51.

উপরের চিত্র হতে সহজে বুঝা যায় ১ নং পোস্টের Backlink বেশী হওয়ার কারনে পোস্টটির Page Authority বেশী এবং সেটি গুগল সার্চের ১ নম্বরে র‌্যাংক করছে। তারপর দ্বিতীয় পোস্টটি Backlink ১ম পোস্টের তুলনায় কিছুটা কম হওয়াতে সেটির Page Authority প্রথম পোস্টের তুনলায় কিছুটা কম এবং সেটি গুগল সার্চের ২ নম্বরে র‌্যাংক করছে

৪। Referral Traffic

যে সমস্ত ব্লগে প্রচুর পরিমানে ট্রাফিক রয়েছে সে সমস্ত ব্লগ হতে Backlink তৈরি করতে পারলে Referral Traffic এর মাধ্যমে আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ট্রাফিক পাওয়ার সম্ভবনা তৈরি হয়ে যায়। কারণ ভালোমানের ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে এবং সেই ব্লগের পোস্টের ভীতরে Anchor Text হিসেবে আপনার ব্লগের লিংক শেয়ার করলে ঐ পোস্টের ৮০% ভিজিটর ব্যাকলিংকে ক্লিক করে আপনার ব্লগের পোস্ট পড়তে আসবেই।

এ ধরনের Backlink পাওয়া অনেক দুরুহ ও কষ্টসাধ্য বিষয়। তবে ইচ্ছা করলে Guest ব্লগিংয়ের মাধ্যমে এ ধরনের ব্যাকলিংক ক্রিয়েট করতে পারেন। কারণ Guest ব্লগিং ছাড়া কেউ এ ধরনের Backlink দিতে চাইবে না।

৫। Building Relationship

Backlink নিঃসন্দেহে বিভিন্ন ব্লগ এবং পাঠকের মধ্যে এক ধরনের Relationship তৈরি করে। ব্যাকলিংকের মাধ্যমে যেমনি একটি ব্লগের সাথে আরেকটি ব্লগের লিংকিং সম্পর্ক ঘটে অন্য দিকে পাঠকগণ এক ব্লগ থেকে লিংকের মাধ্যমে অন্য ব্লগের সাথে পরিচয় ঘটে।

এতেকরে পাঠকের কাছে আপনার ব্লগের আর্টিকেল ভালো লাগলে ব্লগটি সাবস্ক্রাইব সহ ফেইসবুক ও টুইটাই পেজগুলো লাইক করে নিতে পারে। এ ভাবে Backlink ব্লগের Relationship তৈরি করে ব্লগের র‌্যাংক এবং ট্রাফিক বৃদ্ধি করবে।

কিভাবে Backlink তৈরি করবেন?

এতক্ষণ দীর্ঘ আলোচনার পর এবার Backlink এর মূল পয়েন্টে আসলাম। আমার বিশ্বাস উপরের আলোচনা ও বিশ্লেষন থেকে আপনি ব্যাকলিংক এর নাড়ীভূড়ি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা পেয়ে গেছেন। Backlink তৈরি করার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করার পূর্বে পুনরায় আপনাকে একটি বিষয় জানিয়ে রাখছি যে, ব্যাকলিংক তৈরি ক্ষেত্রে আপনি শুধুমাত্র Quantity এর উপর গুরুত্ব না দিয়ে Quality এর উপর গুরুত্ব দেবেন।

কারণ অতিরিক্ত ব্যাকলিংক তৈরি করতে গেলে গুগল কম গুরুত্বপূর্ণ লিংকগুলোকে পেনালাইজড করে স্প্যাম হিসেবে ধরে নিবে। এতেকরে আপনার সেই Backlink গুলো র‌্যাংক বৃদ্ধির পরিবর্তে র‌্যাংক বৃদ্ধিতে বিপরীতমুখি কাজ করবে।

Backlink বৃদ্ধির উপায়

  • Quality Content (Most Important)
  • Guest Blogging
  • Submit to Web Directories
  • Broken Link Building
  • Competitors Backlinks

১। Quality Content

আপনার ব্লগে ভালোমানের আর্টিকেল লিখতে পারলে Backlink পাওয়া সময় স্বাপেক্ষ ব্যাপার মাত্র। সাধারণত একটি প্রবাদ আছে যে, যার ভীতরে প্রতিভা আছে সে জ্বলে উঠবেই। আপনার ব্লগের কন্টেন্ট সবার চাইতে কোয়ালিটি সম্পন্ন হলে অন্যরা আপনার ব্লগের পোস্ট তাদের ব্লগে অবশ্যই শেয়ার করবে।

আপনি সাধারণ সেন্সে চিন্তা করে দেখুন, আপনার ব্লগে কোন ভালোমানের ইউনিক কন্টেন্ট না থাকলে কেন শুধু শুধু অন্যরা আপনার ব্লগের পোস্ট শেয়ার করতে যাবে। পোস্ট শেয়ার করার পিছনে অবশ্যই একটি কারন লাগবে। আর সেই কারন হতে হবে কোয়ালিটি সম্পন্ন আর্টিকেল।

ভালোমানের লেখক হওয়া বা ভালোমানের আর্টিকেল লিখার কয়েকটি টিপস দেখুন-

  • বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সমাধান সংক্রান্ত বিষয়ে লিখুন। একজন ভিজিটর শুধু শুধু কারন ছাড়া অনলাইনে ব্লগ পড়তে আসে না। কোন না কোন সমস্যায় পড়ে সমাধানের জন্য খোঁজতে খোঁজতে আপনার ব্লগে আসে। এ ক্ষেত্রে সমাধান পেলে অবশ্যই আপনার পোস্টের লিংক বিভিন্ন মাধ্যমে শেয়ার করবে।
  • সব শ্রেণীর পাঠক সহজে বুঝতে পারে এমন ভাষা ব্যবহার করে লিখুন। বিশেষকরে ইংরেজী ব্লগের ক্ষেত্রে সহজ শব্দ ব্যবহার করে লিখার চেষ্টা করুন। এতেকরে অল্প শিক্ষিত ও বেশি শিক্ষিত সহ সর্বস্তরের পাঠক লেখার ভাষা বুঝতে পারবে। নিজেকে মেধাবি হিসেবে হাসিল করার জন্য শুধু শুধু জঠিল বাক্য ব্যবহার করে সহজ বিষয়কে কঠিন করবেন না।
  • বর্তমান সময়ে অনলাইনে সব ধরনের আর্টিকেল পাওয়া যায়। তারপর যে কোন বিষয়কে একটু ইউনিক আঙ্গিকে অন্যদের চাইতে আলাদা স্টাইলে লিখার চেষ্টা করবেন।
  • কোন একটি বিষয়ে লেখার পর সেটির শেষের দিকে উদাহরন দিয়ে আরো পরিষ্কার করার চেষ্টা করবেন। এতেকরে পাঠকের কাছে আপনার লেখার গ্রহনযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে।
  • বিভিন্ন এক্সপার্টদের সাথে ইন্টারভিউ এর আয়োজন করে সেটি ব্লগে শেয়ার করতে পারেন। এটি আপনার ব্লগের পাঠকের কাছে মূল্য বাড়িয়ে তুলবে।

আপনার ব্লগে ভালোমানের কন্টেন্ট শেয়ার করার পর সেটিকে সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে পাঠকের কাছে পৌছে দিতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই অল্প কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। কারণ নরমালি সার্চ ইঞ্জিন আপনার নতুন পোস্টটি ইনডেক্স করতে কিছুটা সময় নেবে।

সে জন্য আপনার লেখাটি দ্রুত পাঠকের কাছে পৌছে দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে Backlink তৈরি করতে চাইলে পোস্টটি পাঠকের কাছে ছড়িয়ে দিতে হবে। এই কাজটি করার জন্য আপনি গুগল এর সাহায্য নিতে পারেন।

২। Guest Blogging

একজন ব্লগার তার নিজের এবং ব্লগের আত্মপ্রকাশ ঘটানোর জন্য সবচাইতে সহজ উপায় হচ্ছে Guest Blogging. নতুন ব্লগাররা Guest Blogging ব্যতীত কোনভাবে নিজের ব্লগের জন্য Backlink ক্রিয়েট করতে পারবে না। আপনি কোন একটি ব্লগে ভালোমানের ইউনিক পোস্ট শেয়ার করতে পারলে সেই ব্লগের এ্যাডমিন নরমালি ঐ পোস্টের ভীতরে আপনাকে ২/৪ টি Backlink দিতে কোন দ্বিধাবোধ করবে না।

তবে গ্যাস্ট ব্লগিং অনুমোদন করে এমন ভালোমানের ব্লগ পাওয়াটা অনেক দুরুহ বিষয়। অধিকাংশ ভালোমানের ব্লগ গ্যাস্ট পোস্ট রিসিভ করতে চায় না। আর কিছু কিছু ব্লগ রয়েছে যেগুলো গ্যাস্ট পোস্ট রিসিভ করে কিন্তু তাদের অনেক Term and Condition থাকে বিধায় সবার জন্য Guest Blogging করা সম্ভব হয়ে উঠে না। আবার কিছু কিছু ব্লগ রয়েছে যেগুলোতে গ্যাস্ট ব্লগিংয়ের মাধ্যমে পোস্ট করা যায় কিন্তু প্রথম অবস্থায় কোন Backlink দিতে চায় না।

তবে আমার বিশ্বাস আপনি যে কোন ব্লগে ভালোমানের কন্টেন্ট দিয়ে গ্যাস্ট ব্লগিং করলে এ্যাডমিন আপনাকে অন্তত একটি হলেও Backlink দেবে। একটি ভালোমানের ব্লগের একটি ব্যাকলিংক আপনার ব্লগের জন্য অনেক মূল্যবান হয়ে উঠতে পারে।

কিভাবে Guest Blog খোঁজে পাবেন?

গ্যাস্ট পোস্ট রিসিভ করে এমন অনেক ব্লগ অনলাইনে খোঁজে পাওয়া যাবে। এই কাজটি আপনি গুগল সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে করতে পারেন। কিভাবে সার্চ করে সেগুলো গুগল থেকে বের করবে সেটা সম্পর্কে মোটামোটি ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করব।

  • [Your Keyword] “guest post”
  • [Your Keyword] “Write for us”
  • [Your Keyword] “guest blog”
  • [Your Keyword] “guest posting”
  • [Your Keyword] “guest blogging”

এভাবে আপনি সহজে গুগল থেকে আপনার ব্লগের সাথে রিলিটেড টপিকের গ্যাস্ট ব্লগ খোঁজে বের করতে পারেন। কিছু ব্লগ পাবেন যেগুলো আপনাকে তাদের ব্লগে রেজিস্ট্রেশন করার অনুমতি দেবে আবার কিছু ব্লগ যারা শুধুমাত্র পোস্ট রিসিভ করে থাকে।

তাছাড়া কোন ব্লগ আপনার কাছে ভালো লেগে থাকলে এবং সেখানে আপনি গ্যাস্ট ব্লগার হিসেবে কাজ করতে চাইলে সেই ব্লগের এ্যাডমিন এর সাথে সরাসরি কিংবা ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন।

এতেকরে যারা গ্যাস্ট ব্লগার রিসিভ করে না তারাও আপনার অনুরোধে আপনাকে গ্যাস্ট ব্লগার হিসেবে যুক্ত করে নিতে পারে। তবে গ্যাস্ট ব্লগিং এর ক্ষেত্রে অবশ্যয় লক্ষ্য রাখবেন আপনি যে ব্লগে গ্যাস্ট ব্লগিং করছেন সেই ব্লগ যেন আপনার ব্লগের বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত হয়। তা না হলে গ্যাস্ট ব্লগিং করে প্রাপ্ত Backlink আপনার ব্লগের জন্য কোন ধরনের মূল্য নিয়ে আসতে পারবে না।

৩। Submit to Web Directories

Directory Submission বলতে এমন কিছু ওয়েব সাইটকে বুঝায় যেগুলো বিভিন্ন ব্লগ/ওয়েবসাইট-কে তাদের তথ্য ভান্ডারে জমা রাখে। Directory সাইটের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে যে, একজন ভিজিটর যাতে খুব সহজেই তার সার্চকৃত কাঙ্খিত ওয়েবসাইট পেয়ে যায় এবং সেই ওয়েব সাইটগুলো থেকে সেবা নিতে পারে। একটি নুতন ব্লগকে অনলাইন জগতের সাথে দ্রুত পরিচয় ঘটনার জন্য Directory Submission গুরুত্ব অপরিসীম।

অনলাইনে অনেক Web Directories রয়েছে যেগুলো আপনি গুগলে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। তবে Directory Submission করা পূর্বে অবশ্যই সেগুলো যাচাই করে নিবেন। তা না হলে গণহারে Backlink তৈরির ফলে আপনার ব্লগটি স্পামিং এর সমস্যায় পড়তে পারে। এ বিষয়টি নিয়ে আমি ভবিষ্যতে একটি বিস্তারিত পোস্ট শেয়ার করা চেষ্টা করব।

৪। Broken Link Building

অনলাইনে বিলিয়ন বিলিয়ন ওয়েবসাইট/ব্লগ রয়েছে। প্রতিদিন নিত্য নতুন ব্লগ তৈরি হচ্ছে আবার অনেকে প্রতিযোগিতায় ঠিকতে না পেরে ব্লগিং ছেড়ে দিচ্ছে। তাছাড়া অনেকে প্রতিনিয়ত তাদের পোস্ট আপডেট করছে এবং পরিবর্তনের করছে। এই আপডেট ও পরিবর্তনের ফলে আপনার ব্লগ ঐ সমস্ত ব্লগ হতে এক সময়ের প্রাপ্ত Backlink গুলো হারাচ্ছে। যার ফলে আপনার ব্লগের Broken Link বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই ধরনের Broken Link সার্চ ইঞ্জিন কোনভাবে পছন্দ করে না। Broken Link এর ফলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার ব্লগের লিংকটি সম্পর্কে দ্বিধাদ্বন্দের মধ্যে থাকে যে, আসলে আপনার পোস্ট আদৌ একটিভ আছে কি না? তাছাড়া Broken Link এর কারনে ভিজিটররা বিরক্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েন যেটি আপনার ব্লগে র‌্যাংকিং হ্রাস করার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে।

অনলাইনে বিভিন্ন পেইড ও ফ্রি টুলস রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে খুব সহজে ব্লগের Broken Link গুলো ফাইন্ড আউট করা যায়। নিচের চিত্রে দেখুন আমি Dr. Link Check হতে একটি ব্লগের Broken Link ফাইন্ড আউট করেছি।

Backlinks তৈরি: Backlink কি এবং কিভাবে Backlinks পাওয়া যায়?

উপরের চিত্রে দেখুন একটি পোস্টের সর্বমোট ২৫০০ ব্যাকলিংক এর মধ্যে ২৫ টি Broken Link রয়েছে। এভাবে আপনার ব্লগের Broken Link খোঁজে বের করতে পারেন। তবে উপরের ওয়েবসাইটটির তথ্য আমাকে পরিপূর্ণ সন্তোষ্ট করতে পারেনি। আপনি পরিপূর্ণ, নির্ভরযোগ্য ও সঠিক Broken Link খোঁজার জন্য ahrefs Broken Link Checker এর সাহায্য নিতে পারেন।

সবশেষে আপনার খোঁজে পাওয়া Broken Link গুলোর লিংক Wayback Machine এ সাবমিট করার মাধ্যমে কাঙ্খিত ব্লগের এ্যাডমিনদের ঐ Backlink গুলো পুনরায় লিংক করার জন্য জানিয়ে দিতে পারেন। তাহলে তারা পুনরায় আপনার ব্লগের লিংকটি যুক্ত করবে, না হয় লিংকটি স্থায়ীভাবে তাদের ব্লগ থেকে রিমুভ করে দেবে। যার ফলে আপনার ব্লগকে Broken Link এর সমস্যা থেকে মুক্ত করবে।

৫। Competitors Backlinks

আপনি যে বিষয় নিয়ে ব্লগিং করছেন এবং যে বিষয়ের উপর পোস্ট লিখেছেন সেই বিষয়ের টার্গেটেড কীওয়ার্ড লিখে গুগলে সার্চ করলে কাঙ্খিত কীওয়ার্ডে কোন কোন ব্লগ র‌্যাংক করছে সে বিষয়ে ধারনা পেয়ে যাবেন।

তারপর ঐ সমস্ত ব্লগগুলোর লিংক বিভিন্ন টুলস এর সাহায্যে এনালাইস করে তারা কোন কোন ব্লগ বা প্লাটফর্ম হতে Backlink নিয়েছে সে বিষয়ে ধারনা নিতে পারেন। তারপর তারা যে যে ব্লগ/ওয়েবসাইট হতে ব্যাকলিংক নিয়েছে আপনিও সেই ব্লগ/ওয়েবসাইট হতে Backlink ক্রিয়েট করার চেষ্টা করতে পারেন।

Competitors Backlinks চেক করার জন্য aherfs টুলস হচ্ছে সবচাইতে জনপ্রিয়। সাধারণত এ ধরনের অপশন এনালাইস করার জন্য ভালোমানের কোন ফ্রি টুলস নেই বিধায় আমি আপনাদের বিষয়টি হাতে কলমে দেখাতে পারছি না। তবে খুব শীঘ্রই আমি aherfs টুলস এর মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করব।

৬। অন্যান্য উপায়ে Backlink তৈরি

উপরের ৫ টি উপায় ছাড়াও আপনি আরো কিছু টেকনিক অবলম্বন করে বিভিন্ন ব্লগ/ওয়েবসাইট হতে Backlink তৈরি করতে পারেন। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে উপরের সবগুলো পদ্ধতিতে ব্যাকলিংক বৃদ্ধি করার জন্য সাজেস্ট করব। এখন নিচে যে উপায়গুলো শেয়ার করছি সেগুলো গুরুত্ব সহকারে না নেওয়ার জন্য আপনাদের রিকোমেন্ট করব।

কারণ এগুলোর মাধ্যমে আপনি হয়ত Backlink ক্রিয়েট করতে পারবেন কিন্তু সেগুলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে খুব বেশী গুরুত্ব বহন করবে না। তবে আপনার ব্লগটি নতুন হয়ে থাকলে শুধুমাত্র ফোরাম পোস্টের মাধ্যমে Backlink ক্রিয়েট করতে পারেন। নতুন অবস্থায় এটি আপনার ব্লগকে বিভিন্ন মাধ্যমে পরিচয় ঘটিয়ে দিতে সাহায্য করবে।

  • ফোরাম পোষ্ট করে।
  • অন্যের ব্লগে কমেন্ট করে।
  • ফোরামে কমেন্ট করে।
  • প্রেস রিলিজের মাধ্যমে।
  • লিংক এক্সচেন্জ করে।
  • ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে।
  • ব্যাকলিংক ক্রয় করে (Paid Backlinks)। 

কি কি দেখে Backlink তৈরি করবেন?

উপরের সকল আলোচনা ও বিশ্লেষন থেকে আপনি ইতোপূর্বে পরিষ্কার ধারনা পেয়ে গেছেন যে, কি কি বিষয় দেখে ও কি কি বিষয় বিবেচনা করে আপনার ব্লগের জন্য Backlink তৈরি করবেন। তারপরও পোস্টটি শেষ করার পূর্বে পুরো বিষয়টি আবারো একবার সামারাইজ করে নিচ্ছি।

  • অবশ্যই ভালোমানের ব্লগ থেকে Backlink ক্রিয়েট করবেন। যে সকল ব্লগের Domain Authority ও Page Authority ভালো সেই সকল ব্লগ হতে ব্যাকলিংক নেওয়ার চেষ্টা করবেন।
  • আপনার বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত নয় এমন ব্লগ থেকে Backlink নিয়ে কোন লাভ নেই। কাজেই আপনার ব্লগের Niche এর সাথে মিল রয়েছে এমন ব্লগ থেকে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন।
  • সবসময় DoFollw Backlink ক্রিয়েট করার চেষ্টা করবেন।
  • বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্যাকলিংক তৈরি না করাটাই ভালো। কারন স্প্যামিং হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • পেইড Backlink নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনার ব্যাকলিংক প্রোভাইডারের সাথে ভালোভাবে কথা বলে নিবেন। তবে আমার মতে পেইড ব্যাকলিংক না নেওয়াটাই উত্তম।
  • একই ব্লগ/ওয়েবসাইট হতে বার বার Backlink ক্রিয়েট না করে ভিন্ন ভিন্ন ব্লগ হতে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।
  • আপনার ব্লগের কম্পিটিটরদের ব্লগ থেকে Backlink নেওয়ার চেষ্টা করবেন। তাহলে সহজে পোস্ট র‌্যাংক করতে পারবে।

অর্গানিক ও পেইড ব্যাক লিংক কি?

সহজভাবে বলা যায় যে, দীর্ঘ দিন ব্লগিং করার পর যখন ব্লগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেতে থাকে তখন অটোমেটিকভাবে অন্যান্য ব্লগের সাথে যে লিংক তৈরি হয় সেটিই হচ্ছে অর্গানিক ব্যাক লিংক। পক্ষান্তরে টাকার বিনিময়ে যে ব্যাক লিংকগুলি বিভিন্ন থার্ড পার্টি ব্লগ কিংবা ওয়েবমাস্টারদের নিকট থেকে কেনা হয়ে থাকে সেগুলি হচ্ছে পেইড ব্যাক লিংক। সুতরা বুঝতেই পারছেন অর্গানিক ব্যাক লিংকসের জন্য টাকা প্রয়োজন হয় না, অন্যদিকে পেইড লিংকস টাকার বিনিময়ে সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।

অর্গানিক নাকি পেইড ব্যাক লিংকস প্রয়োজন?

আমি আগেই বলেছি অর্গানিক বা অরিজিনাল ব্যাক লিংক ব্লগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির সাথে সাথে অটোমেটিক বৃদ্ধি পেতে থাকে। তবে নতুন ব্লগ লাউঞ্চ করার পর আপনার ব্লগের বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত অন্য ব্লগে কমেন্ট এবং বিভিন্ন ব্লগে গ্যাস্ট ব্লগার হিসেবে জয়েনসহ ফোরামে অংশগ্রহনের মাধ্যমে সহজে ভালমানের ব্যাক লিংকস বৃদ্ধি করা যায়।

এ বিষয়টি নতুন অবস্থায় একটি ব্লগের ব্যাক লিংকস তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। যেহেতু অর্গানিক ব্যাক লিংক নিজে অথবা সময়ের সাথে সাথে অন্যরা আপনার ব্লগের গুরুত্ব বুঝে তাদের ব্লগের সঙ্গে যুক্ত করবে সেহেতু এই ধরনের লিংকস আপনার ব্লগের বিষয়ে সাথে মিল রয়েছে এমন ব্লগের সাথেই যুক্ত হয়ে ব্যাক লিংক তৈরি করবে অর্থাৎ আপনার ব্লগের বিষয় এবং যে ব্লগ হতে ব্যাক লিংকস তৈরি হয়েছে সেই ব্লগের বিষয় একই বা পাশাপাশি হবে।

অন্যদিকে যারা বিভিন্ন ওয়েবমাস্টার বা আইটি কোম্পানির নিকট হতে চুক্তির মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে ব্যাক লিংকস তৈরি করে থাকেন, তারা আপনার ব্লগের বিষয়ে সাথে মিল রয়েছে এমন ব্লগ হতে ব্যাক লিংক তৈরি করে দেন না। এ ক্ষেত্রে তাদের নেটওয়ার্ক এর আওতায় যে সমস্ত ওয়েবসাইট এবং ব্লগ রয়েছে সেই সমস্ত ব্লগ হতে খুব সহজে এবং অল্প সময়ে ব্যাক লিংক তৈরি করে দেন।

এ ক্ষেত্রে আপনার ব্লগের বিষয় ও লিংকস তৈরি হওয়া ব্লগের বিষয়ের মিল না থাকায় ব্যাক লিংকসগুলি ভিজিটর ও সার্চ ইঞ্জিন কারো নিকট হতে তেমন কোন গুরুত্ব বয়ে আনতে পারে না। আমি উদাহরনের মাধ্যমে বিষয়টি আপনাদেরকে আরো পরিষ্কার করছি। তবে উদাহরন দেওয়ার আগে আরো দুটি কথা শেয়ার করব। তারপর উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।

এই পোস্টটি লিখার সূত্রপাত ঘটে আমার এক ক্লায়েন্টের মাধ্যমে। গতকাল একজন ওয়েব ডিজাইনার তার ওয়েবসাইটের এসইও করার জন্য আমার কাছে আসেন। প্রথমেই তার ওয়েবসাইটটি আমাকে দেখানোর জন্য বলি। তার সাইটটি ওয়ার্ডপ্রেসে হোস্টিং করা এবং ডোমেন ও হোস্টিং GoDaddy থেকে নেওয়া। তার ওয়েবসাইটের বিষয় ছিল ওয়েব ডিজাইনের স্কিল টেস্টিংয়ের উপর। প্রথমে দেখে আমি মনেকরেছিলান এটা খুব নরমাল একটি বিষয়।

তবে পরবর্তীতে সবকিছু দেখার পর বুঝতে পারলাম যে, ভালমানের অনেক কিছু রয়েছে। বিস্তারিত দেখে এবং আলোচনা করে বুঝতে পারলাম উনি মোটামোটি ভালমানের একজন ওয়েব ডিজাইনার। তিনি চেয়েছিলেন তার ওয়েবসাইটের পরিপূর্ণ এসইও সংক্রান্ত কাজ করাতে। আমি তার সাথে রাজি হয়েছিলাম এবং মোটামোটি সবকিছু ফাইনাল হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সমস্যা হল তাকে পর্যাপ্ত পরিমানে ব্যাক লিংকস তৈরি করে দিতে হবে।

তখন আমি তাকে বল্লাম ব্যাক লিংক তৈরি করতে হয় না। এটা সময়ের সাথে সাথে অটোমেটিক হয়ে যায়। এ বিষয়টি আপনি নিজে নিজেই করতে পারেন। কিভাবে করতে হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত বলে দিয়েছিলাম। কিন্তু সে আমার মতের সাথে কোনভাবে একমত হতে চায়নি। অবশেষে তার সাথে আমার এসইও সংক্রান্ত ডিল বাতীল করতে বাধ্য হই।

অর্গানিক ও পেইড ব্যাক লিংক কি?

ধরুন আপনি এ্যাপেক্স শো কোম্পানির একজন নিয়মিত ব্যবসায়ি। আপনার কোম্পানির নিয়মিত পন্য হচ্ছে বিভিন্ন নিত্য নুতন বাহারি ডিজাইনের শো। আপনি বিভিন্ন সময়ে ক্রেতাদের চাহিদানুসারে সময় উপযোগী নুতন নুতন শো ডিজাইন করে আপনার দোকানে রাখার চেষ্টা করবেন।

এ ক্ষেত্রে আপনি কখনো চাইবেন না যে, আপনার শো মার্কেটের ভীতরে একটি চায়ের দোকান বসিয়ে দিতে। কারণ সর্বস্তরের লোকজন জানেন এ্যাপেক্স হচ্ছে একটি ভালমানের শো কোম্পানি। এখানে চা খেতে যাওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না। তারপরও ভূলক্রমে কোন এ্যাপেক্স মার্কেটে চায়ের দোকান বসালে সেখানে চাঁ খেতে যাওয়া কাস্টমারের সংখ্যা কখনো ৫% এর বেশী হবে না।

ঠিক একই ভাবে আপনার ব্লগের ওয়েব ডিজাইন বিষয়ে লিখা কোন একটি পোস্ট আরেকজন কবিতা বা গল্প নিয়ে কাজ করা ব্লগের সাথে যুক্ত হয়ে ব্যাক লিংক তৈরি করলেও ঐ ব্লগের পাঠক আপনার ওয়েব ডিজাইন সংক্রান্ত ব্লগ পোস্টটি পড়তে আসবে না। কারণ একজন কবিতা পাঠকের কাছে ওয়েব ডিজাইন বিষয়টা মূল্যহীন।

তিনি স্বভাবত ওয়েব ডিজাইন বিষয়টি পড়তে চাইবেন না বা তিনি এই বিষয়টা বুঝবেনও না। এ ক্ষেত্রে তার কাছে বিষয়টি বিরক্তকর মনে হবে। অন্যদিকে সার্চ ইঞ্জিন ক্রলার যখন ঐ ব্লগে প্রাপ্ত আপনার ব্লগের লিংকটি পেয়ে লিংক ত্রো করে আপনার ব্লগে এসে দেখতে পাবে যে, আপনার ব্লগের আর্টিকেল এবং সেই ব্লগের আর্টিকেলের কোন মিল নেই তখন সার্চ ইঞ্জিন এটিকে স্প্যাম হিসেবে মার্ক করে নিবে। এ ক্ষেত্রে ঐ ব্লগ হতে প্রাপ্ত ব্যাক লিংকটি হিতের বিপরীত কাজ করবে।

উপরের আলোচনা ও বিশ্লেষণ থেকে আমি আপনাদের এই বিষয়টি বুঝাতে চেয়েছি যে, আপনি যে ভাবে ব্যাক লিংক তৈরি করুন না কেন সেটা যেন হয় আপনার ব্লগের কনটেন্টের সাথে সম্পৃক্ত। কোনক্রমেই যাতে চায়ের দোকানে আলু, পঠল ও মরিচ এর ব্যবসা শুরু করার মত না হয়। আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন নিয়ে কাজ করেন তবে ওয়েব ডিজাইন নিয়ে কাজ করছে এমন অন্যান্য ওয়েবসাইট হতে ব্যাক লিংক তৈরি করার চেষ্টা করবেন।

এন্ড্রয়েড মোবাইল নিয়ে কাজ করলে এন্ড্রয়েড সংক্রান্ত ওয়েবসাইট হতে লিংক তৈরি করার চেষ্টা করবেন। ঠিক একই ভাবে আপনি যখন ইন্টারন্যাল ব্যাক লিংক তৈরি করবেন তখন খেয়াল রাখবেন পোষ্টটির সাথে পরিপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এমন পোষ্ট লিংক হিসেবে যুক্ত করে দেবেন। অযথাই লিংক তৈরি করে পোষ্টটির মূল্য সার্চ ইঞ্জিনের কাছে কমিয়ে দেবেন না।

শেষ কথা

ব্যাকলিংক এসইও-এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। এটি আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইন অথরিটি বাড়াতে এবং সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাঙ্কিং উন্নত করতে সাহায্য করে। তাই অর্গানিক ট্রাফিক বৃদ্ধি করতে সঠিক ব্যাকলিংক স্ট্র্যাটেজির দিকে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।

ভালো মানের ব্যাকলিংক পেতে গেস্ট পোস্টিং, ব্রোকেন লিংক বিল্ডিং এবং মানসম্মত কন্টেন্ট তৈরির কোনো বিকল্প নেই। মনে রাখবেন, প্রচুর লো-কোয়ালিটি বা স্প্যামি লিংকের চেয়ে একটি হাই-কোয়ালিটি অথরিটি ব্যাকলিংক আপনার সাইটের জন্য অনেক বেশি কার্যকরী।

আশা করি, এই গাইডলাইন অনুসরণ করে আপনি সহজেই আপনার ব্লগের জন্য শক্তিশালী ব্যাকলিংক প্রোফাইল তৈরি করতে পারবেন। লেখাটি উপকারী মনে হলে শেয়ার করুন এবং এসইও বিষয়ক আরও টিপস পেতে আমাদের ব্লগের সাথেই থাকুন।


Frequently Asked Questions

হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক পাওয়ার উপায় কী?
হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক পাওয়ার সেরা উপায় হলো ‘গেস্ট পোস্টিং’ এবং ‘স্কাইস্ক্র্যাপার টেকনিক’। আপনার নিশ (Niche) বা বিষয়ের সাথে মিল আছে এমন জনপ্রিয় ব্লগগুলোতে গেস্ট পোস্ট করে ব্যাকলিংক নিতে পারেন। এছাড়া, তথ্যবহুল কন্টেন্ট, ইনফোগ্রাফিক্স বা কেস স্টাডি প্রকাশ করলে মানুষ নিজে থেকেই আপনাকে লিংক দেবে। ব্রোকেন লিংক বিল্ডিং (অন্যের নষ্ট লিংক রিপ্লেস করা) এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে কন্টেন্ট শেয়ারিংও কার্যকরী পদ্ধতি।
DoFollow ও NoFollow লিংকের তফাত কী?
এই দুটির মূল পার্থক্য হলো "লিংক জুস" বা অথরিটি পাস করার ক্ষমতায়। DoFollow লিংক সার্চ ইঞ্জিনের ক্রলারকে নির্দেশ দেয় লিংকটি ফলো করতে এবং এর মাধ্যমে লিংক জুস পাস হয়, যা র‍্যাংকিং বাড়াতে সরাসরি সাহায্য করে। অন্যদিকে, NoFollow লিংক ক্রলারকে লিংকটি ফলো না করার নির্দেশ দেয়, ফলে এটি সরাসরি এসইও ভ্যালু পাস করে না। তবে, ট্রাফিক বৃদ্ধি এবং লিংক প্রোফাইলকে ন্যাচারাল বা স্বাভাবিক রাখতে NoFollow লিংকেরও প্রয়োজন আছে।
ভালো ও খারাপ ব্যাকলিংক চেনার উপায়?
সব ব্যাকলিংক উপকারী নয়। ভালো ব্যাকলিংক সাধারণত হাই ডোমেইন অথরিটি (DA) সম্পন্ন, স্প্যাম স্কোরের হার কম এবং আপনার ওয়েবসাইটের টপিকের সাথে সম্পূর্ণ প্রাসঙ্গিক সাইট থেকে আসে। অন্যদিকে, জুয়া, পর্নোগ্রাফি, বা ক্যাসিনো সাইট এবং অত্যাধিক স্প্যাম স্কোর যুক্ত সাইট থেকে আসা লিংকগুলো হলো ‘টক্সিক’ বা খারাপ ব্যাকলিংক। এগুলো আপনার সাইটের র‍্যাংকিং কমানোর পাশাপাশি গুগল পেনাল্টির কারণ হতে পারে।
এসইও-তে ব্যাকলিংকের গুরুত্ব কতটুকু?
এসইও র‍্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক অন্যতম শীর্ষ ৩টি ফ্যাক্টরের একটি। এটি সার্চ ইঞ্জিনকে সংকেত দেয় যে আপনার কন্টেন্টটি মানসম্মত এবং তথ্যবহুল, যার কারণে অন্যরা একে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করছে। ভালো মানের ব্যাকলিংক থাকলে ওয়েবসাইটের ডোমেইন অথরিটি (DA) বাড়ে, অর্গানিক ট্রাফিক বৃদ্ধি পায় এবং গুগল সার্চ রেজাল্টের প্রথম পাতায় আসার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।
ব্যাকলিংক ইনডেক্স হতে কতদিন লাগে?
ব্যাকলিংক তৈরি করার সাথে সাথেই তা গুগলে ইনডেক্স হয় না। এটি ইনডেক্স হতে সাধারণত ৪ দিন থেকে শুরু করে ১০ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। সময়টি নির্ভর করে ওই নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের ক্রল রেট (Crawl Rate) এবং অথরিটির ওপর। তবে গুগল সার্চ কনসোল বা প্রিমিয়াম ইনডেক্সিং টুল ব্যবহার করে এই প্রক্রিয়াটি কিছুটা দ্রুত করা সম্ভব।
ব্যাকলিংক (Backlink) আসলে কী?
সহজ কথায়, যখন অন্য কোনো ওয়েবসাইট তাদের কন্টেন্টের মধ্যে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক যুক্ত করে, তখন তাকে ব্যাকলিংক বলা হয়। এসইও-এর ভাষায় একে "ইনকামিং লিংক" বা "ইনবাউন্ড লিংক"ও বলা হয়। গুগলের কাছে ব্যাকলিংক হলো একটি ‘ভোট’-এর মতো। আপনার সাইটে যত বেশি রিলেভেন্ট বা প্রাসঙ্গিক সাইটের ব্যাকলিংক থাকবে, সার্চ ইঞ্জিনের কাছে আপনার সাইটের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা তত বাড়বে।
Next Post Previous Post
38 Comments
  • Unknown
    Unknown January 9, 2018 at 12:08 PM

    ধন্যবাদ খুব সহজেই বুুঝতে পারলাম backlink সম্পর্কে

    • Rashid
      Rashid January 11, 2018 at 4:31 PM

      Welcome and stay us for future posts.

  • Ahadul
    Ahadul October 8, 2019 at 10:56 PM

    ধন্যবাদ বিস্তারিত ভাবে লেখার জন্য।
    https://amarprosno.com

  • Admin
    Admin December 9, 2019 at 3:15 PM

    এত তথ্যবহুল পোস্ট আগে পড়িনি কখনো। ধন্যবাদ

    • Rashid
      Rashid December 19, 2019 at 9:20 PM

      Thank you for the good compliment

  • Saumen
    Saumen January 4, 2020 at 5:58 PM

    স্যার,
    আমি আপনার বিষয়বস্তু ভালবাসি। আমি আপনার বিশেষ ভক্ত।
    কেবলমাত্র কৌতূহল, আপনি আপনার ব্লগে কমপক্ষে একটি দিনে কতটা সময় ব্যয় করেন?

    • Rashid
      Rashid February 8, 2020 at 7:14 PM

      আমার ব্লগের বিষয়বস্তু ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম।

      ব্লগটি আমি Student Life এ শুরু করেছিলাম। ছাত্র জীবনে ব্লগে ১২-১৮ ঘন্টা সময় দিয়েছি। এখন পেশাগত কাজের চাপে ব্লগে খুব একটা সময় দেওয়া সম্ভব হয় না।

      ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য...

  • Md Bappy Hossain
    Md Bappy Hossain March 23, 2020 at 1:40 AM

    ধন্যবাদ, অনেক কিছুই জানতে পারলাম।আমার নতুন ব্লগসাইট vocalbd24.blogspo.com এর কিছু পোস্ট র‍্যাংক হয়েছে। ব্লগ সাইটের লেখার ধরন মোটামুটি ভালোই,আগে বিভিন্ন প্রত্রিকায় লিখতাম এখন নিজে নিজের সাইটে লিখি এটা অনেক বড় পাওয়া। এই পাওয়া আরও পূর্নতা পাবে যদি লেখাগুলো মানুষ পড়ে।
    ধন্যবাদ আবারো,আপনার টিপসগুলো কাজে দিবে হয়তো।
    কৌতুহলবশত একটি প্রশ্ন,আপনি এই ব্লগ হতে কোন আর্থিক সাপোর্ট কি পেয়ে থাকেন?

    • Rashid
      Rashid March 23, 2020 at 1:36 PM

      একসময় আমি ব্লগ থেকে ভালোমানের টাকা ইনকাম করতাম। কিন্তু বর্তমানে প্রফেশনাল লাইফের ব্যস্ততার কারনে ব্লগের দিকে ফোকাস করতে পারছি না। অধিকন্তু আমার ব্লগে এ্যাডসেন্স অনুমোদন করা আছে। তারপরেও ব্লগে নিয়মিত কাজ করতে পারছি না বিধায় এ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপন ব্যবহার করছি না। মূলত ব্লগে নিয়মিত কাজ করা ছাড়া ইনকাম করা যায় না।

  • Edu Masail
    Edu Masail March 30, 2020 at 8:48 PM

    This comment has been removed by the author.

    • Rashid
      Rashid April 1, 2020 at 6:04 PM

      আর্টিকেলটি ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। সাথে থাকুন। তবে এভাবে কমেন্টের মাধ্যমে অযথা ব্যাকলিংক তৈরি কোন মানে নেই।

  • Mahizul Islam
    Mahizul Islam May 3, 2020 at 4:58 PM

    আমার ব্লগার সাইট টি তে কি এখনই এডস বসাতে পারবো?

    https://techbiswo.blogspot.com

  • Rashid
    Rashid May 4, 2020 at 1:32 AM

    আপনার ব্লগে ২০-২৫ টি ইউনিক পোস্ট থাকলে এডসেন্স এর এপ্লাই করতে পারেন। অনুমোদন হলে এড বসাতে পারবেন।

  • ব্যাকলিংক
    ব্যাকলিংক August 11, 2020 at 11:18 AM

    অনেক সুন্দর

  • JS TechZone
    JS TechZone January 28, 2021 at 1:00 PM

    Thanks for Important Information about SEO.

  • JS TechZone
    JS TechZone January 28, 2021 at 1:02 PM

    Thanks for Important information about SEO.

    • Rashid
      Rashid January 28, 2021 at 3:03 PM

      Welcome and stay with us...

  • sabuj raihan
    sabuj raihan February 23, 2021 at 5:40 AM

    খুব সহজেই ব্যাকলিংক সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে 😍

  • Unknown
    Unknown March 8, 2021 at 7:14 PM

    what do you do naw. sir

  • bloggerbangladesh
    bloggerbangladesh April 29, 2021 at 3:35 PM

    I'm very very happy to read your post. I think your all post is too much helpful for online career. Below is my website:

    http://ekusheymail.com

  • arifuldaria
    arifuldaria May 3, 2021 at 3:09 PM

    ভাই আপনার সাইটের উপর কি একটা রিভিউ করতে পারি।
    ধন্যবাদ রইল..
    আমার সাইট লিংক.. https://www.helplinebd360.xyz/

    • Rashid
      Rashid May 4, 2021 at 12:39 PM

      করতে পারেন....

    • Rashid
      Rashid April 11, 2022 at 9:06 PM

      ধন্যবাদ... জেনে খুশি হলাম।

  • Emdadul Haque
    Emdadul Haque June 19, 2021 at 1:43 AM

    ধন্যবাদ এত সুন্দর রিসোর্স আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

    ব্যাংকে স্ট্রেঙ্থ সম্পর্কে যদি একটি পোস্ট শেয়ার করতেন তাহলে উপকৃত হতাম।

    https://seo-optimizers.com

  • Rohit khan
    Rohit khan October 12, 2021 at 4:56 PM

    ধন্যবাদ
    অনেক ভালো বুঝিয়েছেন

  • জুয়েল
    জুয়েল October 12, 2021 at 10:47 PM

    ধন্যবাদ বিষয়টি সহজ ভাবে বুজিয়ে বলার জন্য

  • MD RIAJUL ISLAM
    MD RIAJUL ISLAM February 2, 2022 at 12:11 AM

    Very informative post specially in bangla language a detail article. Thank you for sharing this content.
    https://www.bloggerbangladesh.com/2019/04/backlink.html

    • Rashid
      Rashid February 5, 2022 at 8:51 AM

      Thank you...

  • হেলাল উদ্দীন জহীর
    হেলাল উদ্দীন জহীর April 6, 2022 at 10:13 PM

    চমত্কার লাগছিলো tollashi.net

  • শাকিল
    শাকিল September 2, 2022 at 5:12 PM

    ভাই অনেক সুন্দর হয়েছে আপনার পোস্টটি। ধন্যবাদ আপনাকে।

  • Md. Abubakar Siddique
    Md. Abubakar Siddique March 28, 2023 at 4:38 AM

    ধন্যবাদ, সাবলীলভাবে ব্যাকলিংক সম্পর্কে বর্ণনা করার জন্য ।

    • Rashid
      Rashid March 28, 2023 at 10:01 AM

      Welcome bro...

  • Md. Abubakar Siddique
    Md. Abubakar Siddique April 9, 2023 at 11:47 AM

    অনেক দরকারি লিখা। চেষ্টা করছি আয়ত্তে আনতে । পরামর্শ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ এডমিন কে।

  • Rocky Islam
    Rocky Islam December 11, 2025 at 1:39 PM

    নতুনদের জন্য এই গাইডটি খুবই সহায়ক। বিশেষ করে মানসম্মত কনটেন্ট ও রিলেভেন্ট সাইট থেকে লিঙ্ক পাওয়ার গুরুত্বটা পরিষ্কার হয়েছে।

  • Shreemad Bhagawat Geeta
    Shreemad Bhagawat Geeta March 10, 2026 at 1:04 AM

    Excellent educational content shared here. This resource is very helpful for learners looking for clear and useful study materials like those on www.siksakul.com

    • Rashid
      Rashid March 12, 2026 at 6:05 PM

      Thanks...

Add Comment
comment url