ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?
ঘরে বসে স্মার্টফোনের মাধ্যমে উপার্জনের কথা ভাবলে ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় এই প্রশ্নটি সবার আগে মাথায় আসে। সঠিক গাইডলাইন জানা থাকলে আপনিও এই প্ল্যাটফর্মকে আয়ের প্রধান উৎস বানাতে পারেন।
ফেসবুক বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ৩০০ কোটির বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে। এই বিশাল অডিয়েন্সকে কাজে লাগিয়ে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এবং ব্যবসায়ীরা সহজেই আয় করতে পারেন।
আপনি যদি একজন ভিডিও ক্রিয়েটর হন বা অনলাইন ব্যবসা করতে চান, তবে ফেসবুক আপনার জন্য আয়ের অনেকগুলো দরজা খুলে দিতে পারে। সঠিক গাইডলাইন এবং ধৈর্য থাকলে এখান থেকে নিয়মিত উপার্জন সম্ভব।
ফেসবুকের বিশাল অডিয়েন্সকে কাজে লাগিয়ে ভিডিও মনিটাইজেশন, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা নিজের বিজনেস পরিচালনা করা এখন অনেক সহজ। তবে এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য এবং সঠিক কৌশল অনুসরণ করা, যা আপনার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
আজকের ব্লগে আমরা ফেসবুক থেকে আয় করার বাস্তবসম্মত এবং কার্যকরী উপায়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। ডিজিটাল দুনিয়ায় নিজের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার এই যাত্রায় আপনাকে স্বাগতম। চলুন, মূল বিষয়টি জেনে নেওয়া যাক।
ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?
বর্তমান যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ফেসবুক। আমার পাঁচ বছরের ছেলেও ফোন পেলেই ফেসবুক খুঁজতে শুরু করে। তার মায়ের কাছে মোবাইল চাওয়ার এই আবদার শুরুতে অবাক করলেও, এখন এটি আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের এক স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
নিঃসন্দেহে ফেসবুক এখন বিশ্বের বৃহত্তম সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। বিশ্বের এক বিশাল জনগোষ্ঠী এর সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত। প্রতি মাসে প্রায় ৩.০৭ বিলিয়ন সক্রিয় ব্যবহারকারী এবং প্রতিদিন গড়ে ২.১১ বিলিয়ন মানুষ এই প্ল্যাটফর্মটি নিয়মিত ব্যবহার করে থাকেন।
প্রতি সেকেন্ডে গড়ে পাঁচটি নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি হচ্ছে যা সত্যিই বিস্ময়কর। উইকিপিডিয়ার তথ্যানুসারে, প্রায় ৪৪,৪৯২ জন বিশেষজ্ঞ এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করছেন। ফেসবুকের এই অভাবনীয় জনপ্রিয়তা এবং ব্যবহারকারীর সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।
তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে যাক যে, ২০২৬ সালে আপনি কোন কোন উপায়ে ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন?
১। ইন-স্ট্রিম অ্যাডস
ইন-স্ট্রিম অ্যাডস হলো ভিডিওর মাঝে দেখানো বিজ্ঞাপন। আপনি যখন ফেসবুকে কোনো ভিডিও দেখেন, তখন মাঝে মাঝে যে বিজ্ঞাপন আসে, তা থেকেই ভিডিও ক্রিয়েটররা টাকা আয় করেন। এটি বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায়।
এই ফিচারটি চালু করতে হলে আপনার পেজে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে। সাধারণত আপনার পেজে ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ ফলোয়ার থাকতে হবে এবং গত ৬০ দিনে ৬০,০০০ মিনিট ওয়াচ টাইম পূর্ণ করতে হবে।
আপনার ভিডিওগুলো অবশ্যই ফেসবুকের নিয়মকানুন বা 'কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড' মেনে তৈরি হতে হবে। ভিডিওর মান ভালো হলে এবং নিয়মিত আপলোড করলে দ্রুত এই মাইলফলক অর্জন করা সম্ভব।
২। ফেসবুক রিলস
টিকটকের মতো ছোট ভিডিও বা 'রিলস' বর্তমানে ফেসবুকে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ফেসবুক রিলস থেকে আয় করার জন্য 'অ্যাডস অন রিলস' (Ads on Reels) ফিচারটি ব্যবহার করা হয়।
আপনার রিলস যত বেশি মানুষ দেখবে, আপনার আয়ের সম্ভাবনা তত বাড়বে। ভাইরাল কন্টেন্ট তৈরি করতে পারলে ফেসবুক আপনাকে 'রিলস প্লে বোনাস' প্রোগ্রামের আওতায় অতিরিক্ত টাকা প্রদান করতে পারে।
রিলস ভিডিওগুলো উলম্ব বা ভার্টিক্যাল ফরম্যাটে তৈরি করা উচিত কারণ মোবাইলে এই ধরনের ভিডিও বেশি দেখা হয়। সৃজনশীল এবং বিনোদনমূলক রিলস তৈরি করে দ্রুত ফলোয়ার বাড়ানো সম্ভব।
৩। থার্ড-পার্টি মনিটাইজেশন
যাদের পেজে ফেসবুকের মনিটাইজেশন শর্ত পূরণ হয়নি, তাদের জন্য 'অ্যাডস্টেরা' (Adsterra) একটি চমৎকার মাধ্যম। এটি ব্যবহার করে আপনি আপনার ফেসবুক ট্রাফিককে অন্য ওয়েবসাইটে নিয়ে গিয়ে আয় করতে পারেন।
এই পদ্ধতিতে আপনি একটি ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করবেন এবং সেখানে অ্যাডস্টেরার 'স্মার্টলিঙ্ক' বা বিজ্ঞাপন বসাবেন। এরপর ফেসবুকের মাধ্যমে ভিজিটরদের সেই পেজে পাঠাবেন। যখন ভিজিটররা সেই লিংকে ক্লিক করবে, আপনি টাকা পাবেন।
এটি মূলত তাদের জন্য বেশি কার্যকরী যারা পাকিস্তান, নেপাল বা এমন দেশ থেকে কাজ করছেন যেখানে ফেসবুকের নিজস্ব মনিটাইজেশন সুবিধা সীমিত। এটি একটি স্মার্ট এবং বিকল্প আয়ের উৎস।
৪। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো অন্য কোম্পানির পণ্য প্রচার করে কমিশন আয় করা। আপনি অ্যামাজন বা অন্য কোনো ই-কমার্স সাইটের পণ্যের লিংক আপনার ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে শেয়ার করতে পারেন।
আপনার শেয়ার করা লিংক থেকে কেউ যদি পণ্যটি কেনে, তবে আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। টেক গ্যাজেট, বিউটি প্রোডাক্ট বা বইয়ের রিভিউ দিয়ে এই পদ্ধতিতে ভালো আয় করা যায়।
সফল হওয়ার জন্য আপনাকে এমন পণ্য নির্বাচন করতে হবে যা আপনার অডিয়েন্সের পছন্দের সাথে মিলে যায়। বিশ্বস্ত রিভিউ এবং সঠিক তথ্য দিলে মানুষ আপনার লিংকে ক্লিক করতে আগ্রহী হবে।
৫। ফেসবুক মার্কেটপ্লেস
আপনার যদি কোনো পুরনো ল্যাপটপ, ফোন বা আসবাবপত্র থাকে, তবে ফেসবুক মার্কেটপ্লেস তা বিক্রির সেরা জায়গা। এটি লোকাল বা স্থানীয় ক্রেতাদের খুঁজে পেতে সাহায্য করে।
এখানে পণ্য লিস্টিং করা সম্পূর্ণ ফ্রি। পণ্যের ভালো ছবি এবং সঠিক বিবরণ দিলে ক্রেতারা সরাসরি আপনার সাথে মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করবে। এখানে কোনো মধ্যস্থতাকারী বা ফি দেওয়ার ঝামেলা নেই।
ব্যক্তিগত জিনিস ছাড়াও আপনি নতুন পণ্য কিনে এখানে বিক্রি করতে পারেন। ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য এটি একটি শক্তিশালী এবং লাভজনক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
৬। ফেসবুক স্টারস
লাইভ ভিডিও বা রিলস চলাকালীন দর্শকরা ভালোবেসে আপনাকে 'স্টার' পাঠাতে পারেন। এটি এক ধরণের ডিজিটাল উপহার বা টিপস। প্রতিটি স্টারের বিনিময়ে ফেসবুক আপনাকে ১ সেন্ট (প্রায় ১ টাকা) প্রদান করে।
এই সুবিধাটি পেতে হলে আপনার পেজে অন্তত ৫০০ ফলোয়ার থাকতে হবে এবং গত ৩০ দিন ধরে পেজটি অ্যাক্টিভ থাকতে হবে। এটি দর্শকদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার একটি চমৎকার উপায়।
লাইভ স্ট্রিমিংয়ের সময় যারা স্টার পাঠান, তাদের নাম ধরে ধন্যবাদ জানালে তারা উৎসাহিত হন। গেমার এবং লাইফস্টাইল ভ্লগারদের জন্য এটি আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস।
৭। ফ্যান সাবস্ক্রিপশন
আপনার যদি এমন কিছু এক্সক্লুসিভ কন্টেন্ট থাকে যা সবাই দেখতে পায় না, তবে আপনি সাবস্ক্রিপশন চালু করতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনার ফ্যানরা মাসিক ফি দিয়ে আপনার বিশেষ গ্রুপে যুক্ত হতে পারবে।
সাবস্ক্রাইবাররা বিশেষ ব্যাজ, এক্সক্লুসিভ ভিডিও বা আপনার সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পায়। এটি কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য একটি স্থায়ী মাসিক আয়ের ব্যবস্থা করে দেয়।
তবে এই ফিচারটি চালু করতে হলে আপনার পেজে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফলোয়ার এবং এনগেজমেন্ট থাকতে হবে। এটি মূলত বড় কমিউনিটি বা ইনফ্লুয়েন্সারদের জন্য বেশি কার্যকরী।
৮। ফেসবুক শপ
আপনার যদি নিজস্ব কোনো ব্যবসা থাকে, তবে 'ফেসবুক শপ' ফিচার ব্যবহার করে আপনি পেজের মধ্যেই একটি অনলাইন স্টোর খুলতে পারেন। এটি আপনার ই-কমার্স ব্যবসাকে আরও পেশাদার করে তোলে।
গ্রাহকরা আপনার পেজ থেকেই পণ্যের ক্যাটালগ দেখতে পারে এবং কেনাকাটা করতে পারে। শপিফাই (Shopify)-এর মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সাথে এটি খুব সহজেই যুক্ত করা যায়।
আপনার পণ্যের ভালো ছবি এবং অফার দিয়ে শপটি সাজালে বিক্রি বহুগুণ বেড়ে যাবে। বর্তমানে অনেক ছোট বড় ব্র্যান্ড তাদের মূল বিক্রয় কেন্দ্র হিসেবে ফেসবুক শপ ব্যবহার করছে।
৯। ব্র্যান্ড কোলাবরেশন
আপনার পেজে যদি ভালো ফলোয়ার এবং এনগেজমেন্ট থাকে, তবে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য আপনাকে স্পন্সর করবে। একে ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংও বলা হয়।
আপনি ব্র্যান্ডের পণ্য নিয়ে ভিডিও তৈরি বা পোস্ট দেওয়ার বিনিময়ে টাকা নিতে পারেন। 'ব্র্যান্ড কোলাবস ম্যানেজার' (Brand Collabs Manager) টুলের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
তবে এর জন্য আপনার অডিয়েন্সের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করা জরুরি। মানসম্মত কন্টেন্ট তৈরি করলে ব্র্যান্ডগুলো নিজেরাই আপনার সাথে যোগাযোগ করবে এবং ভালো পেমেন্ট অফার করবে।
১০। ফ্রিল্যান্সিং সার্ভিস বিক্রি
আপনার যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং বা ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের দক্ষতা থাকে, তবে ফেসবুক ব্যবহার করে আপনি ক্লায়েন্ট খুঁজে পেতে পারেন। ফাইবার বা আপওয়ার্কের গিগগুলো ফেসবুকে শেয়ার করেও কাজ পাওয়া যায়।
অনেক সময় মানুষ ফেসবুকেই দক্ষ সোশাল মিডিয়া ম্যানেজার বা অ্যাড এক্সপার্ট খোঁজে। আপনি আপনার দক্ষতা অনুযায়ী বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট দিয়ে সরাসরি ক্লায়েন্ট পেতে পারেন।
ফাইবার (Fiverr)-এর মতো মার্কেটপ্লেসে আপনার সার্ভিসগুলো সাজিয়ে রাখুন এবং ফেসবুকের মাধ্যমে সেখানে ট্রাফিক নিয়ে যান। এতে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার দ্রুত বড় হবে।
১১। কোচিং ও কনসালটেন্সি
আপনার যদি কোনো বিশেষ দক্ষতা থাকে, তবে ফেসবুক ব্যবহার করে আপনি অনলাইন কোচিং শুরু করতে পারেন। বর্তমানে মানুষ ঘরে বসেই নতুন স্কিল শিখতে চায়, যা আপনার জন্য আয়ের একটি বড় সুযোগ তৈরি করতে পারে।
মেসেঞ্জার বা প্রাইভেট গ্রুপের মাধ্যমে আপনি ব্যক্তিগত পরামর্শ বা ক্লাস নিতে পারেন। ফিটনেস ট্রেইনিং, ডায়েট প্ল্যান বা ক্যারিয়ার গাইডেন্সের মতো সেবা দিয়ে সহজেই প্রতি মাসে সম্মানজনক অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।
১২। ক্রাউডফান্ডিং
আপনার কোনো মহৎ উদ্যোগ বা প্রজেক্টের জন্য অর্থের প্রয়োজন হলে ফেসবুকে ক্রাউডফান্ডিং ক্যাম্পেইন চালাতে পারেন। আপনার আইডিয়াটি মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরতে পারলে তারা আপনাকে আর্থিকভাবে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্মের লিংক আপনার পেজ বা গ্রুপে শেয়ার করে ফান্ড সংগ্রহ করা যায়। এটি মূলত সামাজিক কাজ বা স্টার্টআপ ব্যবসার প্রাথমিক মূলধন সংগ্রহের জন্য একটি অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি।
১৩। ইভেন্ট প্রমোশন
আপনি যদি কোনো ওয়ার্কশপ, সেমিনার বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, তবে ফেসবুকে 'ইভেন্ট' পেজ খুলে তার প্রচার চালাতে পারেন। এটি নির্দিষ্ট অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছানোর এবং তাদের আগ্রহী করার সেরা মাধ্যম।
ইভেন্টের বিস্তারিত তথ্য ও টিকেট কেনার লিংক যুক্ত করে সরাসরি ফেসবুক থেকেই টিকেট বিক্রি করা সম্ভব। পেইড অ্যাড ব্যবহার করে ইভেন্টের রিচ বাড়ানো যায়, যা আপনার ইভেন্টকে সফল করতে সাহায্য করে।
১৪। নিজস্ব শিল্পকর্ম বিক্রি
আপনি যদি ছবি আঁকতে বা হস্তশিল্প তৈরি করতে ভালোবাসেন, তবে ফেসবুক হতে পারে আপনার ভার্চুয়াল গ্যালারি। আপনার সৃজনশীল কাজের ছবি সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে সরাসরি শিল্পমনা ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে যাওয়া যায়।
এখানে কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই আপনি নিজের কাজের সঠিক মূল্য নির্ধারণ করতে পারেন। কাস্টমাইজড অর্ডারের মাধ্যমে আয় বাড়ানোর পাশাপাশি, আপনার শিল্পকর্মের জন্য একটি নিজস্ব ফ্যানবেজ তৈরি করাও অনেক সহজ।
১৫। ফেসবুক গেমিং
আপনি যদি ভিডিও গেম খেলতে ভালোবাসেন, তবে ফেসবুক গেমিং আপনার জন্য আয়ের সেরা মাধ্যম। 'লেভেল আপ' (Level Up) প্রোগ্রামে যোগ দিয়ে আপনি নিয়মিত গেমপ্লের লাইভ স্ট্রিমিং করে নিজের একটি শক্তিশালী ফ্যানবেজ বা দর্শক তৈরি করতে পারেন।
লাইভ স্ট্রিমিং চলাকালীন দর্শকরা ভালোবেসে আপনাকে স্টার পাঠাতে পারে, যা টাকায় রূপান্তরিত হয়। এছাড়া জনপ্রিয় গেমাররা ফেসবুকের 'পার্টনার' হয়ে মাসিক বেতন এবং এক্সক্লুসিভ বিজ্ঞাপন থেকেও মোটা অংকের অর্থ আয়ের সুযোগ পান।
শেষ কথা
ফেসবুক এখন আর শুধু বিনোদনের জায়গা নয়, এটি একটি শক্তিশালী আয়ের মাধ্যম। ভিডিও তৈরি, পণ্য বিক্রি বা ফ্রিল্যান্সিং—যেকোনো উপায়ে আপনি এখান থেকে আয় করতে পারেন। তবে সফল হতে হলে ধৈর্য ধরে নিয়ম মেনে কাজ করা জরুরি।
আসলে বর্তমানে অনলাইন মার্কেটিং তথা ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব এত বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যেটা লিখে শেষ করা যাবে না। আপনি চেষ্টা করলে নিজের মেধা কাজে লাগিয়ে উপরের উপায়গুলো ছাড়াও আরো বিভিন্ন উপায়ে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।
তাছাড়া ফেসবুকের জনপ্রিয়তা যে হারে বাড়ছে তাতেকরে ভিডিও শেয়ারিং এর ক্ষেত্রেও ফেসবুক একদিন ইউটিউবকে ছাড়িয়ে যাবে। কারণ ইউটিউবে শুধুমাত্র ভিডিও শেয়ার করা যায় কিন্তু ফেসবুকে একসাথে আর্টিকেল, ছবি, ব্লগ পোস্ট করার পাশপাশি ভিডিও আপলোড করা যায়।
এ জন্য ধীরে ধীর মানুষ ইউটিউব এর চাইতে ফেসবুককে বেশি গ্রহন করে নিবে। কাজেই আপনি চাইলে শুধু শুধু ফেসবুকে বেকার সময় ব্যয় না করে সামান্য মেধা কাজে লাগিয়ে একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করে ভবিষ্যতের জন্য ফেসবুক থেকে টাকা আয়ের পথ তৈরি করে নিতে পারেন।
বাংলা ভাষাতে কিভাবে ফ্রিতে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারি, এই নিয়ে একটা আর্টিকেল দিলে খুবই উপকৃত হতাম ভাইয়া
আমাদের ব্লগে এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত পোস্ট আছে। পোস্টটি দেখতে পানে।
ব্লগের কোন সেকশনে পোস্টটি আছে ভাইয়া?
ব্লগ ডিজাইন সেকশনে খুজে দেখুন...
এসইও সেকশনে সার্চ করুন
ঘরে বসে বিনা ইনভেস্টে অ্যাড ক্লিক এবং সার্ভে কমপ্লিট করে টাকা আয় করতে চান? তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য।
FREE MONEY BD হচ্ছে একটি বাংলাদেশী আর্নিং সাইট, যেখানে আপনি খুবই সহজ কিছু কাজ করে বিকাশ, ডাচ বাংলা ব্যাংক বা মোবাইলে রিচার্জ নিতে পারবেন। আমি এইমাত্র বিকাশে ২৫০ টাকা রিসিভ করলাম।
এই সাইটটিতে আপনার প্রতিদিনের আর্নিং লিমিট হচ্ছে ২৫০ টাকা। এর মানে, আপনি প্রতিদিন ২৫০ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। সাইটটি অটোমেটিক ভেরিফিকেশন সিস্টেমের মাধ্যমে ইউজারের সকল কাজগুলো ভেরিফাই করে। সাইটে সকল কাজের উপরে নিয়ম উল্লেখ করা আছে, সেই নিয়ম অনুসারে কাজ করতে হবে । তাই ঠিকমতো কাজ কমপ্লিট না করলে অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার হবে না। তো এবার দেখে নেওয়া যাক কীভাবে শুরু করবেনঃ
ধাপঃ১ - যেকোনো ব্রাউজারে (www.freemoneybd. ml) এই লিংকটি টাইপ করুন (স্পেস ছাড়া)
ধাপঃ২ - লিংকে ঢুকে "START FOR FREE" "REGISTER HERE" এ ক্লিক করুন।
ধাপঃ৩ - এরপর রেজিস্ট্রেশন এ তথ্য দিয়ে কাজ শুরু করুন।
VER CODE: #freemoneyBD_free250dailySR
ধন্যবাদ ভাইয়া
Welcome and stay us...
খুব ভালো একটা পোষ্ট। গুগল এডসেন্স নিয়ে একটা পোষ্ট হলে ভালো হতো
এডসেন্স নিয়ে আমাদের ব্লগে বেশ কয়েকটি পোস্ট আছে। ব্লগে সার্চ করুন, পেয়ে যাবেন...
অন্যের লেখা কিংবা ভিডিও ফেইসবুক পেইজে আপলোড করলে কি পেইজ মনিটাইযেশন পাবে?
হবে না। আমার মনেহয় আপনি লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়েননি। পড়লে বিস্তারিত জানতে পারতেন।
ধন্যবাদ... সাথে থাকুন।
Manowar Hussain
আপনার লেখাগুলো আমার খুবই ভাল লাগে। আমি পার্সোনালী আপনারর লেখাগুলি পড়ি এবং অন্যদের সাজেষ্ট করি। আবারও ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি লেখা উপহার দেয়ার জন্য।
Copyright video diye ki income hoi
না, হবে না।
আমি একটি আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী। আইডিয়াটি এমন যে,একটি প্লাটফরম থাকবে যেখানে কিছু মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় জিনিস খুজতে আসবে আবার কিছু মানুষ আসবে সেগুলো ভাড়া দিতে বা বিক্রয় করতে। আমি কি ধরনের প্লাটফরম ব্যবহার করতে পারি এমন কাজটি করার জন্য। দয়াকরে পরামর্শ দিয়ে বাধিত করবেন।ধন্যবাদ।
করতে পারেন, তবে এ ধরনের কাজের জন্য অনলাইনে ব্যাপক প্রচারের প্রয়োজন হবে। এ ক্ষেত্রে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচার করতে পারেন।
আফটার অল, আপনার আইডিয়া খারাপ না।
Facebook page তৈরি করতে গিয়ে whatsapp number এর অপশন কাজ করতেছেনা।কি করব?
ফেসবুক পেজের সাথে WahatsApp নাম্বারের কোন সম্পর্ক নাই। একটি আরেকটি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
আপনার ওয়েবসাইটের পোস্টগুলি আমার খুব ভালো লাগে। নিয়মিত আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করি। আশাকরি সামনে আর আপডেট পোস্ট পাব।
ধন্যবাদ... সাথে থাকুন।
vai apnar theme tar name kki aktu bola jabe
YouTube-এ video আপডেট দিলে কত MB কাটা যায়???
ভাইয়া আমারে একটি ব্লগ তৈরি করে মনিটাইজ করে দিন,,আমি দরকার হলে টাকা দিবো,,ভাই খুব বিপদে আছি,,,টাকার খুবই প্রয়োজন😰😰
আমরা এ ধরনের কোন কাজ হাতে নেই না। দুঃখিত...
yes, Dear bro i want to this,, and thanks for you
ধন্যবাদ ভাই অনেক কিছু জেনেছি
রশিদ ভাই,আমি আপনার ওয়েবসাইট নিয়মিত ফলো করি ব্লগিংয়ের জন্য। ব্লগিংয়ে সফলতার জন্য কিছু টিপস দেন। মাঝে মাঝে হতাশ হয়ে যায়।
Vai Facebook নতুন পেজ এ কি লাইক ফলোয়ার কিনা যায় দয়া করে জানাবেন
আর এত সুন্দর করে বুঝানোর জন্য ধন্যবাদ আজ থেকে আপনার ফেন হয়ে গেলাম thanks vai
আপনার ফেসবুক পেজে বুস্ট করে পেজের ফ্যান ফলোয়ার বাড়াতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে আপনাকে মুটামুটি ভালো টাকা খরছ করতে হবে।
ধরেন আমি ফেইসবুক ফেইজ একাউন্ট খুললাম। কিন্তু আমার একাউন্টে শুরুতে ফলোয়ার নাই। কিন্তু ১ বছর ২ বছর অথবা ৫ বছর পরে আমার ফেইজবুক ফেইজে ১০ হাজার ফলোয়ার হলো। তখন কি আমি ইনকাম করতে পারবো। আশাকরি আমার প্রশ্নটির জবাব দিবেন।
ফেসবুকের বর্তমান নিয়ম চালু থাকলে করতে পারবেন। কারণ ২ থেকে ৫ বছর পর কি হবে সেটাতো এখন বলা সম্ভব হবে না।
ভালো লাগলোা, খুব সুন্দর করে তুলে ধরেছেন।
01625597895
খুব সহজে ঝামেলা ছাড়া মোবাইল থেকে কি ভাবে আয় করব
এত সহজে টাকা ইনকাম করা যায় না। টাকা ইনকাম করতে হলে কিছুটা পরিশ্রম ও মেধা খাটাতে হবে।
ফেজবুক কোন কোন ব্যাংকে টাকা পেমেন্ট করে
বাংলাদেশের প্রায় সকল ব্যাংকে পেমেন্ট করে। তবে ডাচ বাংলা ও ইসলামি ব্যাংক সবচাইতে ভালো।
আসসালামু আলাইকুম স্যার আমি কি আমার প্রোফাইলটা পেইজে বর্তমানে কনভার্ট করতে পারবো এবং সেই পেজটাকে ভবিষ্যতে কি আমি মনিটাইজেশন করতে পারব কিনা দয়া করে বিস্তারিত জানাবেন
কনভার্ট করতে পারবেন এবং ভবিষ্যতে মনিটাইজও করতে পারবেন।
ধন্যবাদ ভাই অনেক কিছু জেনেছি
Ahad khan04
অসধারন একটি আর্টিকেল লিখেছেন। ধন্যবাদ!
In stream a
Ami amr gmail diea login korsilam
Oi khane theke amare pore amare Jan iea dite chaise bt tar poor ami ki korobo
আপনার ফেসবুক পেজ, গ্রুপ, আইডি বিক্রি করতে চান? আপনার গেমিং অ্যাকাউন্ট বিক্রি করতে চান? আপনার ওয়েবসাইট বা ডোমেইন বিক্রি করতে চান? তাহলে আজই জয়েন করুন swapdealbd dot com এ এবং এড দিন।
মাশা-আল্লাহ খুব সুন্দর করে গুছিয়ে লিখেছেন।
ধন্যবাদ...❣️
সত্যিই আপনার পোস্টটি খুব সুন্দর হয়েছে
অসাধারণ লিখেছেন ভাই