অন পেজ এসইও ২০২৬

অন পেজ এসইও কি ২০২৬ সালেও প্রাসঙ্গিক? এর উত্তর হলো—অবশ্যই! তবে এর ধরণ এবং কৌশলে বিশাল পরিবর্তন এসেছে। গুগল এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি স্মার্ট হয়েছে এবং সার্চের জগতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) যুক্ত হয়েছে।

আপনার ওয়েবসাইটের র‍্যাঙ্কিং, ট্রাফিক এবং কনভার্সন রেট বাড়ানোর জন্য অন পেজ এসইও-তে দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। এটি শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিন নয়, বরং ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতার উন্নয়নের জন্যও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

এই আল্টিমেট গাইডে আমরা জানব ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে কিভাবে আপনি আপনার কন্টেন্টকে গুগল এবং এআই (AI)—উভয়ের জন্যই অপ্টিমাইজ করবেন। আমরা টাইটেল ট্যাগ থেকে শুরু করে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স পর্যন্ত প্রতিটি বিষয় খুঁটিনাটি আলোচনা করব।

আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়াতে চান এবং সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় জায়গা করে নিতে চান, তবে এই গাইডলাইনটি আপনার জন্য। চলুন, আধুনিক এসইও-র জগতে প্রবেশ করা যাক এবং আপনার সাইটকে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাই।

অন পেজ এসইও কী?

অন পেজ এসইও বা অন-সাইট এসইও হলো সার্চ ইঞ্জিন, এআই প্ল্যাটফর্ম (যেমন ChatGPT বা Gemini), এবং ব্যবহারকারীদের জন্য ওয়েবপেজের কন্টেন্ট অপ্টিমাইজ করার একটি চলমান প্রক্রিয়া। এটি আপনার সাইটের দৃশ্যমানতা বাড়াতে সাহায্য করে।

সহজ কথায়, এটি আপনার ওয়েবসাইটের ভেতরের বিষয়গুলো সাজানোর কৌশল। এর মধ্যে টাইটেল ট্যাগ, কন্টেন্ট, ইন্টারনাল লিঙ্ক এবং ইউআরএল (URL)-এর মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে। এটি অফ-পেজ এসইও থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়।

অফ-পেজ এসইও মূলত ওয়েবসাইটের বাইরের সিগন্যাল (যেমন ব্যাকলিংক তৈরি বা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং) নিয়ে কাজ করে। কিন্তু অন-পেজ এসইও সরাসরি আপনার ওয়েবসাইটের ভেতরে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং পেজের প্রাসঙ্গিকতা বাড়াতে সাহায্য করে।

গুগলের "How Search Works" রিপোর্ট অনুযায়ী, কন্টেন্ট প্রাসঙ্গিক কি না তা বোঝার জন্য গুগল এখনও "সবচেয়ে মৌলিক সংকেত" হিসেবে পেজের মধ্যে কিওয়ার্ডের উপস্থিতি চেক করে। তাই আধুনিক যুগেও এই বেসিক বিষয়গুলো অত্যন্ত কার্যকরী।

অন পেজ এসইও এর সংজ্ঞা আরো সহজভাবে বলতে পারি যে, একটি ওয়েব সাইটের ভীতরে (বাহিরে নয়) যে সমস্ত এসইও এর কাজ করা হয়, তাকে অন পেজ এসইও বলা হয়। এ ধরনের এসইও এর কাজ একটি ওয়েবসাইট অন রেখে ওয়েবসাইটের অভ্যন্তরে করা হয় বিধায় অন পেজ এসইও বলা হয়।

অন পেজ এসইও কিভাবে করবেন?

অন পেজ এসইও হলো ব্লগের অভ্যন্তরীণ টাইটেল ট্যাগ, মেটা ট্যাগ, কীওয়ার্ড এবং ভালো মানের কনটেন্ট সঠিকভাবে সাজানোর একটি প্রক্রিয়া। এটি আপনার ব্লগের প্রতিটি বিষয়কে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে সাহায্য করে।

মনে রাখবেন, সার্চ ইঞ্জিন মূলত এক ধরনের সফটওয়্যার। মানুষের মতো এর নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা বা চিন্তাশক্তি নেই। আমরা একে যেভাবে নির্দেশনা বা কমান্ড দিই, এটি ঠিক সেভাবেই কাজ করে এবং বিষয়বস্তু বুঝতে পারে।

যদি সঠিক নিয়মে কমান্ড দেওয়া না হয়, তবে সার্চ ইঞ্জিন আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে সঠিকভাবে বুঝতে পারে না। ফলে আপনার সাইটটি তার কাছে গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে এবং সে এটিকে উপেক্ষা বা ইগনোর করে।

তাই ব্লগের বিষয়বস্তু সার্চ ইঞ্জিনকে বোঝাতে সঠিক নিয়মে অন পেজ এসইও করা অত্যন্ত জরুরি। এটি করলে তবেই সার্চ ইঞ্জিন আপনার ব্লগের গুরুত্ব বুঝতে পারবে এবং সেটিকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে সক্ষম হবে।

আপনি যদি ব্লগের অন পেজ এসইও সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারেন, তবেই আপনার পোস্ট সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়। নিচে আমরা অন পেজ এসইও-এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

১. টাইটেল ট্যাগ অপ্টিমাইজেশন

সার্চ রেজাল্ট বা SERP থেকে ট্রাফিক পাওয়ার জন্য টাইটেল ট্যাগ হলো আপনার প্রথম এবং প্রধান হাতিয়ার। একটি আকর্ষণীয় টাইটেল ব্যবহারকারীকে আপনার লিংকে ক্লিক করতে বাধ্য করে, যা আপনার র‍্যাঙ্কিং উন্নত করতে পারে।

টাইটেল অন পেজ এসইও ২০২৬

গুগল অনেক সময় টাইটেল ট্যাগ নিজের মতো করে পরিবর্তন করে নেয়, বিশেষ করে যদি সেটি খুব বড় বা খুব ছোট হয়। তবুও, আপনার পছন্দের টাইটেল দেখানোর জন্য এটি ৫০ থেকে ৬০ ক্যারেক্টারের মধ্যে রাখা উচিত।

অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, আপনার মূল কিওয়ার্ডটি টাইটেল ট্যাগের যত শুরুর দিকে থাকবে, র‍্যাঙ্কিংয়ের সম্ভাবনা তত বাড়বে। তাই চেষ্টা করুন আপনার প্রধান কিওয়ার্ডটি বাক্যের শুরুতে বা প্রথম অংশের দিকে রাখতে।

তবে সবসময় কিওয়ার্ড শুরুতে রাখা সম্ভব হয় না এবং সেটি জরুরিও নয়। কিন্তু যখনই সুযোগ পাবেন, কিওয়ার্ডটি সামনে রাখার চেষ্টা করবেন। এটি ব্যবহারকারীকে দ্রুত বুঝতে সাহায্য করে যে পেজটি তাদের সার্চের সাথে প্রাসঙ্গিক।

লং-টেইল কিওয়ার্ডের (Long-tail keywords) জন্য র‍্যাঙ্ক করতে টাইটেলে মডিফায়ার শব্দ ব্যবহার করুন। "Best", "Guide", "Review", "Checklist"—এই শব্দগুলো মূল কিওয়ার্ডের সাথে যুক্ত করলে আপনি অনেক বেশি ভেরিয়েশনের জন্য র‍্যাঙ্ক করতে পারবেন।

২. মেটা ডেসক্রিপশন

যদিও গুগল সরাসরি র‍্যাঙ্কিংয়ের জন্য মেটা ডেসক্রিপশন ব্যবহার করে না, তবুও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ব্যবহারকারীরা সার্চ রেজাল্টে টাইটেলর নিচে এই অংশটি পড়েই লিংকে ক্লিক করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।

প্রতিটি পেজের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা এবং ইউনিক মেটা ডেসক্রিপশন লিখুন। ডুপ্লিকেট ডেসক্রিপশন ব্যবহার করলে গুগল আপনার পেজের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিভ্রান্ত হতে পারে এবং এটি ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার জন্যও ভালো নয়।

মেটা ডেসক্রিপশনের দৈর্ঘ্য ১৬০ ক্যারেক্টারের নিচে রাখার চেষ্টা করুন। এটি নিশ্চিত করে যে ডেস্কটপ এবং মোবাইল—উভয় ডিভাইসেই আপনার লেখাটি পুরোপুরি দেখা যাবে এবং কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কেটে যাবে না।

আপনার ডেসক্রিপশনের মধ্যে অবশ্যই টার্গেট কিওয়ার্ডটি ব্যবহার করুন। কারণ ব্যবহারকারী যখন ওই শব্দটি দিয়ে সার্চ করে, গুগল মেটা ডেসক্রিপশনে থাকা ওই শব্দগুলোকে বোল্ড করে দেখায়, যা ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

একটি ভালো মেটা ডেসক্রিপশন পেজের সারসংক্ষেপ তুলে ধরে এবং ব্যবহারকারীকে প্রতিশ্রুতি দেয় যে তারা লিংকে ক্লিক করলে তাদের কাঙ্ক্ষিত তথ্য পাবে। এটি আপনার অর্গানিক ক্লিক-থ্রু রেট (CTR) বাড়াতে সাহায্য করে।

৩. ইউনিক এবং ভ্যালুয়েবল কন্টেন্ট

২০২৬ সালে র‍্যাঙ্ক করার জন্য শুধুমাত্র কিওয়ার্ড দিয়ে আর্টিকেল লিখলে চলবে না। আপনার কন্টেন্টে অবশ্যই 'ইনফরমেশন গেইন' (Information Gain) বা নতুন কোনো তথ্য থাকতে হবে যা অন্য কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না।

ইউনিক কন্টেন্ট মানে শুধু কপি না করা নয়, বরং নতুন কিছু দেওয়া। এটি হতে পারে নতুন কোনো কৌশল, নিজস্ব কেস স্টাডি, অরিজিনাল রিসার্চ ডেটা বা একটি গোছানো স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড।

উদাহরণস্বরূপ, একটি "SEO Checklist" আর্টিকেলে যদি আপনি সাধারণ টিপসের পাশাপাশি আপনার নিজস্ব পারফরমেন্স ডেটা এবং একটি ডাউনলোডযোগ্য চেকলিস্ট যুক্ত করেন, তবে সেটি সাধারণ আর্টিকেলের চেয়ে অনেক ভালো পারফর্ম করবে।

যেসব পেজে শক্তিশালী 'ইনফরমেশন গেইন' থাকে, সেগুলো এআই টুল (যেমন ChatGPT বা Perplexity) দ্বারা উদ্ধৃত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এটি ট্র্যাডিশনাল সার্চের বাইরেও আপনার ভিজিবিলিটি বা দৃশ্যমানতা বাড়াতে সাহায্য করে।

কন্টেন্টকে ভ্যালুয়েবল বা মূল্যবান করতে হলে আপনাকে বিস্তারিত লিখতে হবে। স্ক্রিনশট, ছবি এবং পরিষ্কার নির্দেশনা ব্যবহার করুন যাতে পাঠক সহজেই আপনার পরামর্শগুলো বাস্তবে প্রয়োগ করতে পারে।

বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের মতামত বা ফার্স্ট-হ্যান্ড অভিজ্ঞতা যুক্ত করুন। এআই জেনারেটেড কন্টেন্টের ভিড়ে মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা এখন অনেক দামী। তাই নিজের বা এক্সপার্টদের মতামত কন্টেন্টে তুলে ধরুন।

৪. সার্চ ইনটেন্ট বোঝা

ব্যবহারকারী আসলে কী খুঁজছেন তা বোঝা হলো অন পেজ এসইও-র অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। আপনার পেজটি যদি ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্য পূরণ না করতে পারে, তবে গুগল আপনাকে প্রথম পাতায় রাখবে না।

ধরুন, কেউ "Backlink Checker" লিখে সার্চ দিল। এর মানে সে একটি টুল খুঁজছে, কোনো ব্লগ পোস্ট বা আর্টিকেল নয়। এই কিওয়ার্ডের জন্য আপনি যদি কেবল একটি আর্টিকেল লেখেন, তবে র‍্যাঙ্ক করা কঠিন হবে।

আমি একবার "Backlink Checker" কিওয়ার্ডের জন্য একটি ব্লগ পোস্ট লিখেছিলাম। কিন্তু পরে দেখলাম সার্চ রেজাল্টের প্রথম ১০টি ফলাফলই হলো টুল, কোনো ব্লগ পোস্ট সেখানে নেই। অর্থাৎ, আমি ভুল ফরম্যাট বেছে নিয়েছিলাম।

পরবর্তীতে আমি সেই ব্লগ পোস্টটিকে একটি টুলের রিভিউ এবং ফ্রি টুলের সমন্বয়ে পরিবর্তন করি। এর ফলে পেজটি ব্যবহারকারীর চাহিদার সাথে মিলে যায় এবং সেটি গুগলের প্রথম পাতায় র‍্যাঙ্ক করতে সক্ষম হয়।

তাই কন্টেন্ট লেখার আগে সার্চ রেজাল্ট বিশ্লেষণ করুন। দেখুন গুগল ওই কিওয়ার্ডের জন্য কী ধরণের ফলাফল দেখাচ্ছে—ব্লগ পোস্ট, প্রোডাক্ট পেজ, নাকি টুল। সেই অনুযায়ী আপনার কন্টেন্ট তৈরি করুন।

৫. AI এবং LLM কন্টেন্ট ফরম্যাটিং

২০২৬ সালের এসইও-তে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (LLM) বা এআই চ্যাটবটগুলোর জন্য অপ্টিমাইজেশন। এআই টুলগুলো পুরো পেজ পড়ে না, বরং তারা নির্দিষ্ট অংশ স্ক্যান করে এবং সামারি তৈরি করে।

এআই সার্চে জায়গা পাওয়ার জন্য 'সেমান্টিক চাঙ্কিং' (Semantic Chunking) ব্যবহার করুন। আপনার কন্টেন্টকে ছোট ছোট, পরিষ্কার সেকশনে ভাগ করুন এবং H2 বা H3 সাবহেডিং ব্যবহার করে বিষয়গুলো আলাদা করুন।

প্রতিটি সেকশনের শুরুতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিন। হেডিং-এর ঠিক পরেই উত্তরটি সংক্ষেপে দিন, তারপর বিস্তারিত লিখুন। এতে এআই টুলগুলো আপনার তথ্যকে সহজেই উদ্ধৃত (cite) করার সুযোগ পায়।

স্কিমা মার্কআপ (Schema Markup) ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। এটি এআই এবং সার্চ ইঞ্জিনকে আপনার কন্টেন্টের গঠন বুঝতে সাহায্য করে। স্কিমা মার্কআপ থাকলে রিচ স্নিপেট (Rich Snippets) পাওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।

আপনার লেখা থেকে উদ্ধৃতিযোগ্য বাক্য বা 'Quotable points' তৈরি করুন। এমনভাবে বাক্য গঠন করুন যাতে এআই সহজেই সেটি তুলে নিয়ে ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তর হিসেবে দেখাতে পারে। এটি আপনার ব্র্যান্ডের পরিচিতি বাড়াবে।

৬. কিওয়ার্ড প্লেসমেন্ট

যদিও এসইও অনেক আধুনিক হয়েছে, তবুও সঠিক জায়গায় কিওয়ার্ড বসানো এখনো কার্যকরী কৌশল। আপনার আর্টিকেলের প্রথম ১০০-১৫০ শব্দের মধ্যে অন্তত একবার মূল কিওয়ার্ডটি ব্যবহার করা উচিত।

এটি গুগলকে দ্রুত বুঝতে সাহায্য করে পেজটি কী সম্পর্কে। ধরুন আপনি "Email Marketing" নিয়ে লিখছেন, তবে শুরুর প্যারাগ্রাফেই শব্দটি উল্লেখ করুন। এটি কন্টেন্টের প্রাসঙ্গিকতা নিশ্চিত করে।

আপনার H1 ট্যাগে অবশ্যই মূল কিওয়ার্ড রাখুন। গুগল H1 ট্যাগ দেখে পেজের মূল স্ট্রাকচার বোঝে। এছাড়া H2 ট্যাগেও প্রাসঙ্গিকভাবে কিওয়ার্ড বা তার ভেরিয়েশন ব্যবহার করলে র‍্যাঙ্কিংয়ে সুবিধা পাওয়া যায়।

কিওয়ার্ড ফ্রিকোয়েন্সি বা কতবার কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন, তা গুরুত্বপূর্ণ। জোর করে বারবার কিওয়ার্ড বসাবেন না (Keyword Stuffing), তবে স্বাভাবিকভাবে কয়েকবার কিওয়ার্ডটি ব্যবহার করুন যাতে গুগল বিষয়বস্তু সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারে।

একটি ৩,০০০ শব্দের আর্টিকেলে যদি মাত্র একবার কিওয়ার্ড থাকে, তবে গুগল কনফিউজড হতে পারে। তাই প্রাসঙ্গিকভাবে কয়েকবার ব্যবহার করুন। আমার একটি আর্টিকেলে আমি ৩২০০ শব্দের মধ্যে ৮ বার কিওয়ার্ড ব্যবহার করেছি।

লং-টেইল কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে ভুলবেন না। গুগলের সার্চ রেজাল্টের নিচে "People Also Search For" সেকশন থেকে আইডিয়া নিয়ে সেগুলো আপনার কন্টেন্টের মাঝে ব্যবহার করুন। এটি আপনাকে অতিরিক্ত ট্রাফিক পেতে সাহায্য করবে।

৭. URL এবং ইন্টারনাল লিঙ্কিং

URL অন পেজ এসইও ২০২৬

এসইও-ফ্রেন্ডলি ইউআরএল তৈরি করতে একে যথাসম্ভব ছোট রাখুন। ছোট ইউআরএল ব্যবহারকারী এবং সার্চ ইঞ্জিন উভয়ের জন্যই মনে রাখা এবং বোঝা সহজ হয়। অপ্রয়োজনীয় শব্দ বা সংখ্যা পরিহার করুন।

ইউআরএল-এ অবশ্যই আপনার টার্গেট কিওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত করুন। যেমন: yourdomain.com/link-building। এটি গুগলকে পেজের বিষয়বস্তু সম্পর্কে একটি শক্তিশালী সিগন্যাল দেয় এবং র‍্যাঙ্কিংয়ে সহায়তা করে।

ইন্টারনাল লিঙ্কিং এসইও-র জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী একটি কৌশল। আপনার সাইটের হাই-অথরিটি পেজ (যে পেজগুলো অনেক ব্যাকলিংক পেয়েছে) থেকে নতুন বা কম অথরিটি সম্পন্ন পেজে লিঙ্ক দিন।

এটি আপনার নতুন পেজকে র‍্যাঙ্ক করতে সাহায্য করে এবং 'লিংক জুস' (Link Juice) পাস করে। আমি প্রায়ই আমার সাইটের জনপ্রিয় পেজগুলো থেকে নতুন গাইড বা আর্টিকেলে ইন্টারনাল লিঙ্ক দিয়ে থাকি।

ইন্টারনাল লিঙ্ক দেওয়ার সময় কিওয়ার্ড-সমৃদ্ধ অ্যাংকর টেক্সট ব্যবহার করুন। তবে খেয়াল রাখবেন যেন এটি জোর করে বসানো বা অপ্রাকৃতিক মনে না হয়। প্রাসঙ্গিক জায়গাতেই কেবল লিঙ্ক বসানো উচিত।

৮. ইমেজ অপ্টিমাইজেশন

সার্চ ইঞ্জিন ছবি "দেখতে" পায় না, তাই তাদের বোঝানোর জন্য অল্ট টেক্সট (Alt Text) ব্যবহার করা জরুরি। এটি এআই এবং দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যবহারকারীদের ছবি সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেয়।

ছবির ফাইলের নাম হিসেবে IMG_123.jpg এর মতো অস্পষ্ট নাম ব্যবহার করবেন না। এর পরিবর্তে on-page-seo-chart.png এর মতো বর্ণনামূলক এবং কিওয়ার্ডযুক্ত নাম ব্যবহার করুন যা ছবির বিষয়বস্তু প্রকাশ করে।

অল্ট টেক্সটে আপনার কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন, তবে খেয়াল রাখবেন যেন এটি ছবির সাথে প্রাসঙ্গিক হয়। ইমেজ অপ্টিমাইজেশন আপনাকে গুগল ইমেজ সার্চ থেকে বাড়তি ট্রাফিক এনে দিতে পারে।

ছবির সাইজ অপ্টিমাইজ করাও জরুরি যাতে পেজ লোডিং স্পিড কমে না যায়। সঠিক ফরম্যাট এবং কম্প্রেসড ইমেজ ব্যবহার করলে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ভালো থাকে এবং বাউন্স রেট কমে।

প্রতিটি ইমেজের জন্য ডেসক্রিপটিভ নাম এবং অল্ট টেক্সট ব্যবহার করলে গুগল বুঝতে পারে আপনার পেজটি কী বিষয়ে। এটি পেজের সামগ্রিক প্রাসঙ্গিকতা এবং র‍্যাঙ্কিং সিগন্যালকে শক্তিশালী করে।

৯. UX এবং বাউন্স রেট কমানো

গুগল চায় ব্যবহারকারীরা আপনার সাইটে এসে সন্তুষ্ট হোক এবং বেশিক্ষণ থাকুক। যদি ব্যবহারকারীরা সাইটে এসে দ্রুত ফিরে যায় (Bounce), তবে এটি গুগলের কাছে নেতিবাচক সংকেত পাঠায়।

'অ্যাডাভ দ্য ফোল্ড' (Above the Fold) বা পেজের উপরের অংশে গুরুত্বপূর্ণ কন্টেন্ট রাখুন। পেজের শুরুতে বড় কোনো ছবি বা বিজ্ঞাপন রাখবেন না যা মূল কন্টেন্টকে নিচে ঠেলে দেয়।

ব্যবহারকারী যেন পেজ লোড হওয়ার সাথে সাথেই তার কাঙ্ক্ষিত তথ্যের শিরোনাম বা উত্তর দেখতে পায়। এটি ব্যবহারকারীকে পেজে ধরে রাখতে এবং স্ক্রল করতে উৎসাহিত করে।

কন্টেন্টকে 'চাঙ্কিং' (Chunking) বা ছোট ভাগে ভাগ করে লিখুন। বড় প্যারাগ্রাফ পাঠকের জন্য বিরক্তিকর হতে পারে। বুলেট পয়েন্ট, ছোট প্যারাগ্রাফ এবং প্রচুর সাবহেডিং ব্যবহার করুন।

এই ফরম্যাটিং কন্টেন্টকে "স্কিম" (Skim) বা দ্রুত পড়তে সাহায্য করে। ফলে ব্যবহারকারীরা দীর্ঘক্ষণ সাইটে থাকে এবং আপনার কন্টেন্ট পুরোপুরি পড়ার আগ্রহ পায়, যা এসইও-র জন্য খুবই ইতিবাচক।

১০. অর্গানিক CTR বৃদ্ধি করা

র‍্যাঙ্কিংয়ের পাশাপাশি আপনার ক্লিক-থ্রু রেট বা CTR বাড়ানো জরুরি। গুগলের ফিচারড স্নিপেট (Featured Snippets)-এ জায়গা করে নিতে পারলে আপনার CTR নাটকীয়ভাবে বেড়ে যেতে পারে।

ফিচারড স্নিপেটে আসার জন্য আপনার কন্টেন্টে প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দিন। সংজ্ঞার জন্য ছোট প্যারাগ্রাফ বা তালিকার জন্য বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করুন। গুগল এই ফরম্যাটগুলো পছন্দ করে।

স্কিমা মার্কআপ ব্যবহার করে রিচ স্নিপেট পাওয়ার চেষ্টা করুন। রিভিউ স্টার, প্রোডাক্টের দাম বা FAQ স্কিমা সার্চ রেজাল্টে আপনার পেজকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তোলে এবং ক্লিক বাড়ায়।

টাইটেল ট্যাগে আবেগ বা ইমোশন ব্যবহার করুন। গবেষণায় দেখা গেছে, পজিটিভ আবেগযুক্ত টাইটেল সাধারণ টাইটেলের চেয়ে বেশি ক্লিক পায়। তবে অতিরিক্ত 'ক্লিকবেট' শব্দ এড়িয়ে চলুন।

টাইটেল এবং ডেসক্রিপশনে বর্তমান সাল (যেমন: ২০২৬) উল্লেখ করুন। এটি ব্যবহারকারীদের আশ্বস্ত করে যে আপনার কন্টেন্টটি আপ-টু-ডেট এবং প্রাসঙ্গিক, বিশেষ করে রিভিউ বা গাইড জাতীয় কন্টেন্টের ক্ষেত্রে।

১১. পেজ স্পিড বৃদ্ধি করা

গুগলের ভাষ্যমতে, কোনো ওয়েবসাইট লোড হতে ৩ সেকেন্ডের বেশি সময় নিলে সেটি প্রায় ৩০% ভিজিটর হারায়। অর্থাৎ, লোডিং টাইম ৩ সেকেন্ডের বেশি হলে প্রতি তিনজন ভিজিটরের মধ্যে একজন বিরক্ত হয়ে সাইট থেকে চলে যান।

তাই এসইও-এর ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের লোডিং টাইম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাইটের স্পিড ভালো না হলে ভিজিটর ধরে রাখা কঠিন হয়, যা আপনার অনলাইন সাফল্যের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং বাউন্স রেট বাড়িয়ে দেয়।

পেজ স্পিড বর্তমানে গুগলের অন্যতম প্রধান র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর। আপনার ওয়েবসাইটের গতি কম হলে ভিজিটর হারানোর পাশাপাশি সার্চ র‍্যাংকিংয়েও আপনি পিছিয়ে পড়বেন। গুগল ধীরগতির সাইটগুলোকে সার্চ রেজাল্টের নিচের দিকে নামিয়ে দেয়।

গুগলের অ্যালগরিদম এমনভাবে তৈরি যে, ভিজিটর যদি সাইটে ঢুকতে সমস্যা বোধ করেন, তবে সার্চ ইঞ্জিন সেটিকে নেতিবাচকভাবে দেখে। আপনি 'গুগল পেজ স্পিড ইনসাইটস' এবং 'জিটিমেট্রিক্স' (GTmetrix) ব্যবহার করে আপনার ব্লগের স্পিড যাচাই করে নিতে পারেন।

১২. মনিটরিং এবং আপডেট

অন পেজ এসইও একবার করে ফেলে রাখার বিষয় নয়। সার্চ অ্যালগরিদম, ব্যবহারকারীর আচরণ এবং ইন্ডাস্ট্রি ট্রেন্ড প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই নিয়মিত মনিটরিং প্রয়োজন।

আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিক ট্রেন্ড নিয়মিত চেক করুন। যদি হঠাৎ ট্রাফিক কমে যায়, তবে বুঝতে হবে কন্টেন্ট বা অন-পেজ এসইও-তে কোনো সমস্যা হয়েছে যা ঠিক করা প্রয়োজন।

বাউন্স রেট এবং ক্লিক-থ্রু রেট (CTR) মনিটর করুন। যদি দেখেন ইম্প্রেশন আছে কিন্তু ক্লিক নেই, তবে টাইটেল বা মেটা ডেসক্রিপশন পরিবর্তন করে পরীক্ষা করুন।

কিওয়ার্ড র‍্যাঙ্কিং ট্র্যাক করুন। যদি আপনার টার্গেট কিওয়ার্ডের র‍্যাঙ্ক পড়ে যায়, তবে কন্টেন্ট আপডেট করুন বা নতুন তথ্য যুক্ত করে পেজটিকে আবার ফ্রেশ করুন।

সেমরাশ (Semrush) বা গুগল সার্চ কনসোলের মতো টুল ব্যবহার করে আপনি সহজেই এই মেট্রিক্সগুলো ট্র্যাক করতে পারেন। নিয়মিত অডিট আপনার সাইটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

শেষ কথা

২০২৬ সালে অন পেজ এসইও মানে হলো—ব্যবহারকারীর জন্য ভ্যালু তৈরি করা এবং একই সাথে গুগল ও এআই-এর জন্য টেকনিক্যাল বিষয়গুলো ঠিক রাখা। এই গাইডে আলোচিত কৌশলগুলো প্রয়োগ করে আপনি আপনার কন্টেন্টকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারেন।

মনে রাখবেন, এসইও একটি ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়। নিয়মিত আপনার ট্রাফিক, বাউন্স রেট এবং কিওয়ার্ড র‍্যাঙ্কিং মনিটর করুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কন্টেন্ট আপডেট ও অপ্টিমাইজ করতে থাকুন।

আপনার ওয়েবসাইটের অর্গানিক ট্রাফিক এবং ভিজিবিলিটি বাড়াতে আজই এই চেকলিস্ট অনুযায়ী কাজ শুরু করুন। সঠিক কৌশল এবং ধৈর্যের মাধ্যমে আপনি নিশ্চিতভাবেই সার্চ রেজাল্টের শীর্ষে পৌঁছাতে পারবেন।


Frequently Asked Questions

এআই সার্চের জন্য কি আলাদা এসইও দরকার?
এআই সার্চের জন্য কন্টেন্ট স্ট্রাকচার বা গঠন খুব গুরুত্বপূর্ণ। স্পষ্ট প্রশ্ন-উত্তর ফরম্যাট, স্কিমা মার্কআপ এবং ছোট প্যারাগ্রাফ ব্যবহার করলে এআই টুলে আপনার কন্টেন্ট দেখানোর সম্ভাবনা বাড়ে।
মেটা ডেসক্রিপশন কত শব্দের হওয়া উচিত?
মেটা ডেসক্রিপশন সরাসরি র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর না হলেও এটি ক্লিক থ্রু রেট (CTR) বাড়াতে সাহায্য করে। এর আদর্শ দৈর্ঘ্য ১৫০-১৬০ ক্যারেক্টারের মধ্যে রাখা উচিত। এখানে অবশ্যই আপনার প্রাইমারি কিওয়ার্ডটি প্রাকৃতিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। একটি ভালো মেটা ডেসক্রিপশন আর্টিকেলের সারসংক্ষেপ তুলে ধরে এবং পাঠককে পূর্ণাঙ্গ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করে।
অন-পেজ এসইও-র মূল উপাদানগুলো কী?
এর মূল উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে টাইটেল ট্যাগ, মেটা ডেসক্রিপশন, কন্টেন্ট (কিওয়ার্ডসহ), ইন্টারনাল লিঙ্ক, ইউআরএল স্ট্রাকচার, ইমেজ অপ্টিমাইজেশন এবং ইউজার এক্সপেরিয়েন্স।
কন্টেন্টে কিওয়ার্ড প্লেসমেন্ট কেমন হবে?
কন্টেন্টে কিওয়ার্ড প্লেসমেন্ট হতে হবে খুবই ন্যাচারাল বা স্বাভাবিক। জোর করে কিওয়ার্ড ঢোকানো বা "Keyword Stuffing" করা যাবে না। আর্টিকেলের প্রথম ১০০ শব্দের মধ্যে একবার প্রাইমারি কিওয়ার্ড ব্যবহার করা উত্তম। এরপর পুরো কন্টেন্ট জুড়ে প্রাসঙ্গিকভাবে ২-৩ বার এবং সাব-হেডিংগুলোতে (H2, H3) কিওয়ার্ড বা এর ভেরিয়েশন (LSI Keywords) ব্যবহার করা উচিত। কিওয়ার্ড ডেনসিটি বা ঘনত্ব ১-২% এর মধ্যে রাখা নিরাপদ।
অন-পেজ এসইও কি একবার করলে হয়?
না, এটি চলমান প্রক্রিয়া। অ্যালগরিদম পরিবর্তন এবং তথ্যের আপডেটের সাথে সাথে আপনাকে নিয়মিত কন্টেন্ট অডিট এবং অপ্টিমাইজ করতে হবে। অন্তত মাসে একবার চেক করা উচিত।
অন পেজ এসইও কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
সার্চ ইঞ্জিন (যেমন গুগল) যখন কোনো ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করে, তখন তারা পেজের বিষয়বস্তু এবং প্রাসঙ্গিকতা বোঝার জন্য অন পেজ এসইও ফ্যাক্টরগুলোর ওপর নির্ভর করে। আপনি যদি অফ-পেজ এসইও (ব্যাকলিংক) খুব ভালোও করেন, কিন্তু আপনার সাইটের অন-পেজ ঠিক না থাকে, তবে কাঙ্ক্ষিত র‍্যাঙ্কিং পাওয়া অসম্ভব। এটি শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিনকেই সাহায্য করে না, বরং ভিজিটরদের ইউজার এক্সপেরিয়েন্স (UX) উন্নত করতেও সরাসরি ভূমিকা রাখে।
Next Post Previous Post
44 Comments
  • Shibam Kar
    Shibam Kar May 4, 2016 at 1:04 PM

    ভাই অনেক হেল্পফুল এবং তথ্য বহুল পোস্ট। ধন্যবাদ। এমন আরো পোস্ট আশা করছি আপনার কাছে।

    • Rashid
      Rashid May 4, 2016 at 6:35 PM

      Thanks and stay us

    • Arman Khandokar
      Arman Khandokar November 12, 2025 at 11:27 PM

      Jet theme a Admin Name er pash a blue tick korbo kivabe?

  • Anonymous
    Anonymous July 30, 2016 at 7:27 PM

    আমার ব্লগ সাইট www.tricksblogbd.com

  • Anonymous
    Anonymous August 2, 2016 at 8:30 AM

    অসাধারন আর্টিকেল। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। ভাইয়া, আমার ব্লগার সাইটে স্যানট্যাক্স হাইলাইটার কোড যোগ করতে চাচ্ছি, কিন্তু পারছিনা। এই বিষয়ে যদি একটি পোষ্ট করেন তাহলে আমার মত অনেকের উপকার হত। পরিশেষে আপনাকে শুভেচ্ছা ও দীর্ঘায়ূ কামনা করছি।

    • Rashid
      Rashid August 2, 2016 at 10:10 AM

      Thanks to your valuable feedback. Actually such kind of post already share many other blogger. So that we didn't share. Immediately I shall try to share this kind of post.

  • Tahkik
    Tahkik August 5, 2016 at 4:44 PM

    Java mobile er jonno ki blogge template responsive kora jai ? Jodi kora jai tahole ki vabe.

    • Rashid
      Rashid August 6, 2016 at 6:50 PM

      এই পদ্ধতী অনুসরণ করে একটি ওয়েবসাইটকে সকল ধরনের ডিভাইসের উপযোগী করা যাবে। এ ক্ষেত্রে Java কিংবা Android এটা কোন ব্যাপার নয়। Java মোবাইলের ব্রাউজারগুলি খুবই নিম্ন মানের হয়ে থাকে বিধায় একটি ওয়েবসাইট ভিজিট করার সময় সব কিছু ঠিক মত দেখা যায় না।

    • Tahkik
      Tahkik August 12, 2016 at 1:27 PM

      Apnake dhonnonad diye spot korbo na. Tobe dowa j Allah ta: apnake uttam jajha Dan Korun. Amin

    • Rashid
      Rashid August 12, 2016 at 5:53 PM

      আমীন, আল্লাহ্ যেন আপনাকেও ভাল রাখেন।

  • Unknown
    Unknown September 7, 2016 at 11:16 PM

    nice post brother..

  • Anonymous
    Anonymous October 4, 2016 at 7:34 PM

    Very good article for better seo. I think it's help everyone to get good traffic from search engine. Thank you

    • Rashid
      Rashid October 4, 2016 at 9:08 PM

      We always share best article. Stay us for better future article.

  • Unknown
    Unknown November 15, 2016 at 10:56 PM

    Very important articles. Thank you

    • Rashid
      Rashid November 16, 2016 at 12:11 PM

      Welcome

  • Monerul240
    Monerul240 January 16, 2017 at 9:27 AM

    Nice Post

  • Hidden Bou
    Hidden Bou January 29, 2017 at 7:04 PM

    Nice......tipstune.net

    • Rashid
      Rashid January 31, 2017 at 1:33 PM

      Thank you

  • নিজস্ব প্রতিনিধি
    নিজস্ব প্রতিনিধি October 24, 2017 at 3:00 AM

    ভালো লাগকো

    • Rashid
      Rashid October 24, 2017 at 4:04 PM

      Thanks bro

  • TAMIM
    TAMIM February 20, 2018 at 2:15 AM

    অসাধারণ

    • Rashid
      Rashid February 20, 2018 at 4:39 PM

      Thanks and stay us...

  • Updated Job Info
    Updated Job Info February 20, 2019 at 4:09 AM

    Dada post ta kv vlo laglo kintu amr ekta jaiga te problem aache je amr blog er meta description Google e show korche na. Pls e bishoye ektu help koro

    My url- https://www.jobsupdatepro.com

    • Rashid
      Rashid February 20, 2019 at 7:13 PM

      আপনার প্রত্যেকটি পোস্টের অভ্যন্তরে Meta Description লিখেছেন কিনা সেটা কনফার্ম হন। যদি Meta Description লিখে থাকেন, তাহলে ব্লগার থিমস এর ভীতরের মেটা ট্যাগ ঠিক মত আছে কিনা চেক করতে হবে।

      এ বিষয় আমাদের ব্লগে দুটি পোস্ট আছে। এই দুটি লিংক থেকে এ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা সহ সমাধান নিতে পারনে - Link 1, Link 1

  • Subhajit Roy
    Subhajit Roy March 17, 2019 at 2:36 AM

    https://www.jobsupdatepro.com/2019/03/fssai-recruitment-2019.html

  • Anonymous
    Anonymous April 28, 2020 at 10:02 AM

    ভাই আমি India থেকে বলছি
    আমার blogspot account আছে সেখানে মেটা ট্যাগ ব্যাবহার করতে পারছিনা। পারলে আমায় একটু হেল্প করনা please

    • Rashid
      Rashid April 28, 2020 at 11:57 AM

      ম্যাটা ট্যাগ বিষয়ে আমাদের ব্লগে একটি পোস্ট আছে। পোস্টটি পড়ুন, বিস্তারিত জেনে যাবেন।

      ধন্যবাদ...

  • rif
    rif May 20, 2020 at 1:02 AM

    Https://www.helpbn.com seo korte parchi na kno 🙄

    • Rashid
      Rashid May 20, 2020 at 12:15 PM

      চেষ্টা করুন, অবশ্যই পারবেন...

  • Sattar Khan
    Sattar Khan May 24, 2020 at 10:56 PM

    Very Nice Article. Informative and helpfull. Thanks rashid bhai.

    http://www.ajkerfact.com/2020/04/5-way-make-money-from-blog-site.html

  • BD Bloggers
    BD Bloggers June 5, 2020 at 8:16 PM

    কীভাবে ইমেজ এসইও করতে হয়? এই পোস্টে বিস্তারিত লেখা অাছে -https://bd-bloggers.com/how-to-do-image-optimization-for-images-seo/

    • Rashid
      Rashid June 9, 2020 at 7:17 PM

      ধন্যবাদ, অনেক ভালো লিখেছেন...

  • MD Golam Mostofa
    MD Golam Mostofa June 23, 2020 at 12:10 AM

    আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। প্রশ্নটা পোষ্ট রিলেটেড না।
    অতিতে আপনাকে বেশ কিছু কমেন্ট করে ভালো সমাধান পেয়েছি।
    ।।।।।।।
    আমার প্রশ্ন আমার সাইট এর লিংক ফেসবুকে শেয়ার করতে পারছিনা।
    ১। তারা বলছে যে তাদের কমিউনিটি গাইড লাইন মানিনি।
    এটার কোন ভাবে সমাধান করতে পারব কি?
    ২। যদি না পারি তাহলে অফ পেজ এসইও এর জন্য কি করতে পারি?

    বিদ্রঃ ইউনিক কন্টেন্ট, অশ্লীলতা মুক্ত।

    • Rashid
      Rashid June 23, 2020 at 7:55 PM

      আপনার ব্লগে ফেসবুক Open Graph এর সকল Meta Tag যুক্ত আছে কি না, ভালোভাবে যাচাই করে দেখুন। আমার মনে হয় Open Graph Meta Tag ঠিক মত সেট করলে, আপনার ব্লগের সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

      ট্রাই করে দেখেন, সমাধান না হওয়ার কিছুই নেই। সমস্যা যেখানে আছে, সমাধানও সেখানে আছে।

  • PcpStore
    PcpStore June 22, 2021 at 10:37 PM

    ভাইজান আশা রাখছি উত্তর দিবেন- আমি অন পেইজ এস-ইউ করতে চাচ্ছি এইস-টি-এম-এল কোড দিয়ে -এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে - আমি যে কন্টেন্ট এর মাজে <title tag <meta discreption <h1 tag এই কোড গুলা কন্টেন্ট এর কোথায় বসাব -আমার মাথায় কাজ করতেছে না --আপনি যদি আমাকে এইটার ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করতেন--ধন্যবাদ

    • Rashid
      Rashid June 25, 2021 at 12:50 PM

      কনটেন্ট এর মাঝে টাইটেল লিখতে হয় না। আর meta discerption লিখে দেওয়ার অপশন ব্লগের ড্যাশবোর্ডে দেওয়া থাকে। শুধু মাত্র discerption লিখে দিলেই হয়। ঠিক একইভাবে h1 tag ব্লগ লেখার সময় পোস্টের ভীতরে দিতে হয়। এ অপশনটিও ব্লগের ড্যাশবোর্ডে দেওয়া আছে।

  • পিয়নমামা ডটকম (PeonMama)
    পিয়নমামা ডটকম (PeonMama) August 1, 2021 at 4:31 PM

    মূলত পোস্ট লিখতে গিয়ে ড্যাশবোর্ডের অপশনে গিয়ে Enter Search Description বক্স দেখা যায়। এই বক্সের মধ্যে কিছু লিখতে হবে কি?

    • Rashid
      Rashid August 3, 2021 at 11:47 PM

      ওখানেই প্রতিটি পোস্টের ম্যাটা ডেসক্রিপশন লিখতে হয়।

  • Jaeed Sir
    Jaeed Sir September 28, 2021 at 9:31 AM

    চমৎকার তথ্য। উপকৃত হলাম

  • Educational news
    Educational news January 6, 2022 at 2:52 PM

    অসাধারণ পোষ্ট,,, www.banglatech-24.xyz

  • অন্বেষা.নেট
    অন্বেষা.নেট January 6, 2022 at 9:51 PM

    ভাই আপনার আর্টিকেলটি চমৎকার । ব্লগের পোস্ট h1 ট্যাগটি ব্যবহার কিভাবে করতে হয় একটু বিস্তরিত বলবেন কি ?

    • Rashid
      Rashid January 7, 2022 at 8:36 PM

      ব্লগে পোস্টে H1 ট্যাগ ব্যবহার করতে হয় না। H1 শুধুমাত্র টাইটেল ট্যাগে ব্যবহার হয়। পোস্টের ভীতরে H2 সহ অন্যান্য ট্যাগ ব্যবহার করতে হয়।

      ধন্যবাদ...

  • Anonymous
    Anonymous January 31, 2024 at 12:24 PM

    Masudwap - বাংলায় আমাদের ব্লগ | বাংলা প্রযুক্তি ব্লগ
    https://www.masudwap.com/

Add Comment
comment url